Sunday, August 28, 2016

কাচ্চি বিরিয়ানি


উপাদানঃ
  • খাসির মাংস - ২ কেজি
  • পোলাওয়ের চাল - ১ কেজি
  • আলু - আধা কেজি
  • ঘি - দেড় কাপ
  • পেঁয়াজ - কুচি আধা কাপ
  • আদা বাটা - ২ টে.চা.
  • রসুন বাটা - ২ চা. চা
  • দারচিনি গুঁড়া - আধা চা.
  • চা এলাচ গুঁড়া - ৬ টি
  • লবঙ্গ গুঁড়া - ৪ টি
  • জয়ফল গুঁড়া - ১ টি
  • জয়ত্রী গুঁড়া - ১\৮ চা চা
  • জিরা গুঁড়া - ১ টে চা
  • শুকনা মরিচ গুঁড়া - ৬ টি
  • দই  - ১ কাপ
  • হলুদ রং - সামান্য
  • গোলাপ জল - ২ টে চা
  • কেওড়া জল - ২ টে চা
  • আলু বোখারা - ৮\১০ টি
  • আটা - ১ কাপ 
  • লবন - পরিমাণ মতো
  • জ্বালানি কাঠ - ৫ কেজি
প্রস্তুত প্রণালীঃ
> মাংস ধুয়ে লবন মেখে ৩০ মিনিট রাখুন। মাংস আবার ধুয়ে পানি ঝরান।
> পেঁয়াজ ঘিয়ে বাদামি করে ভেজে তুলুন। ঠাণ্ডা হলে মোটা গুঁড়া করুন।
> আলুতে হালকা রঙ মিশিয়ে বাদামি করে ভেজে তুলুন।
> যে হাঁড়িতে বিরিয়ানি রান্না করবেন সে হাঁড়িতে মাংস নিন। আদা, রসুন , পেঁয়াজ , গুঁড়া মশলা মাংসের সাথে মেশান। দই ,গোলাপ জল ও কেওড়া জল দিয়ে ভাল ভাবে মেশান। মাংসের উপর আলু বিছিয়ে দিন। অল্প ঘি ও আলু বোখারা দিন।
> পোলাও এর চাল ধুয়ে পানি ঝরান। ১২ কাপ ফুটানো লবন পানিতে চাল ছাড়ুন। চাল ফুটে ওঠা মাত্রই পরিষ্কার পাত্রে পানি ঝরান।
> চালের ফুটানো পানি থেকে ১ কাপ পানিতে ৩\৪ কাপ ঘি মিশিয়ে মাংসে মেশান। মাংসের উপর চাল ছড়িয়ে দিন। উপরে সামান্য রং ছিটিয়ে দিন। ১ কাপ চালের ফুটানো পানি ও বাকি ঘি মিশিয়ে চালের উপর দিন,প্রয়োজন হলে আরও ফুটানো পানি এমন আন্দাজে দিন যাতে পানি চালের সমান হয়,চালের উপরে না উঠে। হাঁড়িতে ঢাকনা দিয়ে দিন।
> আটা পানি দিয়ে মাখিয়ে নিন। আটা দিয়ে হাঁড়ির মুখে ঢাকনা এঁটে দিন।
> কাচ্চি বিরিয়ানি গ্যাসের চুলায় রান্না করতে হলে চুলার উপর হাড়ি বসান। হাঁড়ির ঢাকনার উপরে ফুটানো পানিসহ একটি সস প্যান বসান ২০-২৫ মিনিট পর চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। আরও এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে বিরিয়ানির সুগন্ধ বের হলে নামিয়ে নিন।

পরিবেশনঃ কাচ্চি বিরিয়ানি সালাদ এবং বোরহানির সাথে পরিবেশন করুন, ৮ জন পরিবেশন করা যাবে।

টিপসঃ 
> বিরিয়ানি ওভেনে রান্না করতে হলে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এ তাপ দিন। গরম ওভেনে হাঁড়ি ৩ ঘণ্টা রেখে নামিয়ে নিন।
> কাঠ কয়লার আগুনে বিরিয়ানি রান্না করতে হলে কাঠে আগুন দেয়ার পর যখন ৩\৪ অংশ আগুনে পুড়ে যাবে বড় কাঠ-কয়লা হবে,সে কয়লার আগুনে হাঁড়ি বসিয়ে দিন। হাঁড়ির উপরে এবং চারপাশেও কাঠ-কয়লার আগুন দিয়ে দিন। হাঁড়ির তলায় প্রথমে ১৫ মিনিট কাঠ পোড়াতে হবে এবং পরে আরও আড়াই ঘণ্টা কাঠ কয়লার আগুনে দমে রাখতে হবে।

Wednesday, August 24, 2016

বীফ ফ্রাই উইথ ক্যাপসিকাম





উপাদানঃ
  • বীফ পাতলা স্লাইস - ১/২ কেজি
  • সয় সস - ২ টেবিল চামচ
  • ওয়েস্টার সস - ২ টেবিল চামচ
  • ফিশ সস - ১/২ চা চামচ
  • গোল মরিচ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ
  • টেস্টিং সল্ট - ১/২ চা চামচ
  • লবণ অল্প - স্বাদ মত
  • ক্যাপসিকাম কিউব করা - ২ টি
  • গাজর স্লাইস - ১/২ কাপ
  • পিঁয়াজ মোটা কুচি - ২ টি
  • আদা কুচি - ১ টেবিল চামচ
  • রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ
  • চিনি - ১/২ চা চামচ
  • তেল - পরিমাণ মত
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- একটা বাটিতে বীফ স্লাইস নিয়ে একে একে রসুন বাটা, সয়া সস, ওয়েস্টার সস, ফিস সস, লবণ, টেস্টিং সল্ট, গোল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ মাখিয়ে রেখে অল্প আছে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
- সেদ্ধ হবার পর বীফে কোন পানি থাকলে শুকিয়ে নিতে হবে।
- এবার ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে বীফ আর আদা কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে।
- এবার ক্যাপসিকাম, গাজর, পিঁয়াজ কুচি, চিনি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ ভেজে নামিয়ে ফেলতে হবে।

প্রন মাঞ্চুরিয়ান

উপাদানঃ
  • মাঝারি আকারের চিংড়ি (খোসা ছাড়িয়ে পরিষ্কার করা) - ২ কাপ 
  • কর্নফ্লাওয়ার - ৩ টেবিল চামচ 
  • ময়দা - ১ টেবিল চামচ 
  • আদা - ১ টেবিল চামচ
  • রসুনবাটা - ১ টেবিল চামচ 
  • লবণ - আধা চা চামচ 
  • মরিচগুঁড়া - ১ চা চামচ 
  • ডিমের সাদা অংশ - ১টি 
  • লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ 
  • তেল - ডুবো তেলে ভাজার জন্য 
সসের জন্যঃ 
  • টমেটো সস্ - ৫ টেবিল চামচ
  • সয়া সস্ - ৩ টেবিল চামচ 
  • মরিচগুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
  • লবণ - আধা চা চামচ  
  • আদা - ১ চা চামচ 
  • রসুনবাটা - ১ চা চামচ
  • কর্নফ্লাওয়ার - ২ চা চামচ 
  • পানি - আধা কাপ 
  • পেঁয়াজ ও রসুনকুচি (অর্ধেক পেঁয়াজ ও অর্ধেক রসুন) - আধা কাপ
  • তেল - ৪ টেবিল চামচ 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- প্রথমেই চিংড়ি সামান্য লবণ দিয়ে মাখিয়ে নিয়ে গরম কড়াইয়ে দুতিন মিনিট ভেজে নিন। কোনো তেল দেবেন না।
- চিংড়ি পানি ছাড়লে পানি থেকে চিংড়িগুলো ছেঁকে তুলে নিন।
- এবার চিংড়ির জন্য রাখা উপকরণগুলো দিয়ে মাখিয়ে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে তুলুন। চুলার তাপ বাড়িয়ে দিয়ে ভাজুন। তবে বেশিক্ষণ ভাজবেন না। নইলে চিংড়ি শক্ত হয়ে যাবে।
- এবার সস্ বানিয়ে নিন। একটি বাটিতে টমেটো সস্, সয়া সস্, মরিচগুঁড়া, আদা ও রসুন বাটা, লবণ, কর্নফ্লাওয়ার এবং আধা কাপ পানি মিশিয়ে নিন।
- এবার একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও রসুনকুচি এক মিনিট ভেজে সসের মিশ্রণ দিন। ভালো মতো মিশিয়ে দুই মিনিট রান্না করে চিংড়ি দিয়ে দিন।
- সস্ গাঢ় হয়ে আসলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

খাসির কোরমা




উপাদানঃ
  • খাসির মাংস - এক কেজি
  • লবঙ্গ - ৪/৫ টা বাটা
  • দারুচিনি - ৩/৪ টা
  • জয়ত্রী - এক চিমটি
  • জয়ফল - এক চিমটি
  • গোল মরিচ -  হাফ চামচের কম
  • বাদাম বাটা - এক টেবিল চামচ
  • টক দই - এক কাপ
  • রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ
  • আদা বাটা - দেড় টেবিল চামচ
  • জিরা -  এক চা চামচ
  • কেওড়া জল - হাফ টেবিল চামচ
  • কিসমিস -  ৬/৭ টা
  • কাঁচা মরিচ - ঝাল বুঝে কয়েকটা (৮/১০টা)
  • লবন - পরিমান মত
  • তেল - হাফ কাপ
  • পানি - পরিমান মত
  • পেঁয়াজ - বেরেস্তা
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- মাংস ভাল করে ধুয়ে একে একে সব মশলা পাতি দিয়ে যেতে থাকুন। 
- সহ সব কিছু দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। 
- এবার ফ্রীজে ঘন্টা খানেকের জন্য রেখে দিন। 
- যে পাত্রে রান্না করবেন সেই পাত্রে তেল গরম করে সামান্য লবন দিয়ে বেরেস্তা বানিয়ে তুলে রাখুন।
- বেরেস্তা তুলে নিয়ে সেই তেলেই ম্যারিনেটেড করে রাখা মাংস দিয়ে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।
- পাতিল ধুয়ে সামান্য পানিও দিয়ে দিন।
- এবার ঢাকনা দিন, মিনিট ১৫/২০ মাধ্যম আঁচে রান্না করুন এবং মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিন।
- মাংস সিদ্ধ হয়ে গেল কিনা দেখে বেরেস্তা গুড়া করে দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে নিন এবং লবন লাগলে দিন। ঝাল কম মনে হলে আরো কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন।

পরিবেশনঃ 
কাঁচা মরিচ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

Wednesday, August 17, 2016

মশলা পরিচিতি

রান্নার একটা গুরুত্বপূর্ন দিক হচ্ছে মশলা। মশলার কারণেই এক এক রান্না এক এক রকমের স্বাদ ও ঘ্রাণের হয়ে থাকে। কাজেই যারা রান্নায় বিশেষ পারদর্শীতা অর্জন করতে চাইবেন তাদের জন্য মশলা চেনা এবং তার সুষ্ঠু ব্যবহার করা একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক।

চায়না গ্রাস
চায়না গ্রাস রান্নার একটা উপকরণ যা স্বচ্ছ নুডলসের মতো দেখতে। চায়না গ্রাস সাধারণত হালুয়া,পুডিং,ফালুদা,আইস-ক্রিম ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয় তবে এখন দিন দিন এর ব্যবহার আরও বাড়ছে। এটি যেকোনো মুদি দোকান বা যেকোন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে কিনতে পাওয়া যায়।

অ্যারারুট
এটি খাবার মচমচা করতে ব্যাবহার করা হয় । খাবার ভাল মচমচা করতে চাইলে অ্যারারুট ময়দার মিশ্রনের সাথে মিক্স করে নিতে হয় এবং রুটি বেলার সময় ব্যাবহার করতে হয় । অ্যারারুট মুদি দোকানে খুচরা কেনা যায়। এছাড়া কিছু কিছু সুপার শপেও পাওয়া যায়। অনেকটা কর্নফ্লাওয়ার এর মতই দেখতে। এর পরিবর্তে কর্ন ফ্লাওয়ার ও ব্যাবহার করা যেতে পারে ।

তালমাখনা
তালমাখনা ছোট ছোট একধরনের বিজ। ফুসকাতে তালমাখনা ব্যাবহার করলে ফুসকা ভাল ফুলে এবং মচমচে হয়। এছাড়া তাল মাখনা শরীর ঠাণ্ডা করার জন্য শরবত হিসেবে খাওয়া হয়। বিভিন্ন মেডিসিন তৈরিতেও তাল মাখান ব্যাবহার হয়।

তালমাখনা সাধারণত মুদিদোকান গুলোতে পাওয়া যায় । সুপার শপে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

কর্নস্টার্চ ভুট্টা থেকে তৈরি ধবধবে সাদা পিচ্ছিল ময়দা। চাইনিজ এবং পশ্চিমা রান্নায়, স্যুপ ও কাস্টার্ড তৈরিতে এগুলো ব্যবহার করা হয়। এসবের পরিবর্তে অবশ্য ময়দা কিংবা অ্যারারুটও ব্যবহার করা যায়।

বেকিং সোডা
সোডিয়াম বাই কার্বনেট (খাবার সোডা) রান্না করার সময় কোনো কিছু তাড়াতাড়ি সিদ্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া কোনো কোনো খাদ্যসমগ্রী ফোলানো কিংবা ফাঁপানোর জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়।

বেকিং পাউডার

বেকিং পাউডার এর মধ্যে সোডিয়াম কার্বনেট সহ অ্যাসিড জাতীয় এজেন্ট থাকে যার কাজ অনেকটা বেকিং সোডার মতই। কিন্তু বেকিং পাউডার, বেকিং সোডার তিন গুন ব্যবহার করতে হয়; কারণ কক্ষ তাপমাত্রায় ইহা কার্বন-ডাই-অক্সিইড ত্যাগ করা শুরু করে এবং সাধ তীক্ষ্ণ করে।

সাইট্রিক এসিড
লেবুর রসের পরিবর্তে কেক, পেস্ট্রি, পুডিং এসেবের জন্য প্রয়োজন হয়। লেবুর রসের পরিবর্তে ছানা তৈরিতেও এর ব্যবহার চলে।

মেরাং

ডিমের সাদা অংশ দ্রুত ও জোরে ফেটিয়ে নিলে অথবা জমাট বাঁধালে তা মেরাংয়ে পরিণত হয়। মেরাং আলু, পুডিং, কেকের আইসিং, মেকারনি ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যায়।

ক্যারামেল
খাদ্যের কোনো কিছুর ওপর রঙ করার জন্য পানি ছাড়া চিনি অল্প গুলে সিরা করা।

ইস্ট
এক ধরনের সূক্ষ্ম ছত্রাক দ্বারা গঠিত হলুদ ফেনাময় বস্তু। যা স্টার্চ কিংবা শর্করা জাতীয় বস্তুর উপস্থিতিতে বংশ বৃদ্ধি করে বহুগুণে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে। পাউরুটি এবং বিভিন্নরকম রুটি, বিস্কুট, কেক ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার হয় এগুলোকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তোলার জন্য।

টেস্টিং সল্ট

এই লবণ দেখতে চিনির মতো। বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়াতে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। সচরাচর স্বাভাবিক লবণের মোট পরিমাণের অর্ধেক অংশ এই লবণের সাহায্যেই পূরণ করা যায়।

খোওয়া

খোওয়াকে আমরা মাওয়া বলে জানি। দুধ ঘন করে শুকানোর আগে অনবরত নেড়েচেড়ে শুকিয়ে কিছুটা নরম থাকতে নামিয়ে ঠান্ডা করে খোওয়া বা মাওয়াতে পরিণত হয়। বিভিন্নরকম মিষ্টির উপরে ছিটিয়ে দিয়ে মিষ্টিকে আকর্ষণীয় করার জন্য মাওয়া বা খোওয়ার ব্যবহার হয়।

ক্রাম্ব
এটি শুকনো পাউরুটি কিংবা টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া। চপ, কাটলেট তৈরিতে এর ব্যবহার হয়।

কাবাব নুন
কচি পেঁপের কষ দিয়ে শুকিয়ে রাখা নুন। এক কাপ নুনের সঙ্গে ১.৫ থেকে ২ চা চামচ পেঁপের কষ মিশিয়ে এটি তৈরি করা হয়। শিক কাবাব বা মাংস বেশি সিদ্ধ করার জন্য কাবাব নুনের দরকার হয়।

সিরকা বা ভিনেগার
খাদ্য সংরক্ষণে সিরকা অপরিহার্য। যে কোনো মিষ্টি রস থেকে সিরকা বানানো সহজ। আখের রস, জামের রস, অথবা যে কোনো ফলের রস থেকে সিরকা তৈরি করা যায়। মাংস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ ও মুখরোচক করতেও সিরকার ব্যবহার হয়।

ওয়েস্টার সস
এই সসের স্বাদ টক। ওয়েস্টার সসের পরিবর্তে তেঁতুল পানি দেয়া যায়। এই সস বিফ স্টেক, হ্যামবার্গার স্টেক, ম্যান্ডারিণ ফিশ এসব রান্নায় ব্যবহার হয়।

সয়া সস

সয়া সস সয়াবিন হতে তৈরি। চাইনিজ রান্নায় এর ব্যবহার হয় বেশি।

এসেন্স
এসেন্স খাবারে সুগন্ধ আনে। ভেনিলা এসেন্স ছাড়াও লেমন, পাইন অ্যাপেল, অরেঞ্জ, বেনান, স্ত্রবেরী ইত্যাদি এসেন্স আইসক্রিম, পুডিং, কাস্টার্ড, কেক, বিস্কুট, পেস্ট্রি, জ্যাম, জেলী, মার্মালেড এবং স্কোয়াসে দেয়া হয়।

চিকেন স্ট্রিপ

উপকরণঃ
  • মুরগির বুকের মাংশ - ২০০ গ্রাম
  • আদা রসুন বাটা - ২ চা চামচ
  • হট সস - ২ টেবিল চামচ
  • সয়া সস - ১ টেবিল চামচ
  • গোল মরিচ গুড়া - ২ চা চামচ
  • জিরা গুড়া - ১ চা চামচ
  • লবন - ১ টেবিল চামচ
  • লাল মরিচ গুড়া - ১ টেবিল চামচ
  • ময়দা - ২ কাপ
  • লবন - আধা চা চামচ
  • ভাজার জন্য তেল - পরিমান মত
প্রস্তুত প্রণালী
> প্রথমে মুরগি গুলো পাতলা লম্বা করে কেটে নিন।
১ টি বাটিতে একে একে সব মশলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন , এরপর মুরগির স্লাইস গুলো দিয়ে মেরিনেট করুন । ২ ঘন্টা ফ্রীজে রেখে দিন ।
> অন্য ১ টি বাটিতে ময়দা, লবন দিয়ে নেড়ে নিন।
> আরেকটি পাত্রে ফ্রেশ পানি নিন।
> এবার মুরগির টুকরা শুকনো ময়দায় গড়িয়ে নিন, তারপর ফ্রেশ পানিতে রেখে আবার শুকনো ময়দায় ভালো করে গড়িয়ে নিয়ে গরম ডুবো তেলে ভাজতে থাকুন এবং বাদামী রং হয়ে এলে উঠিয়ে নিন।
> যেকোনো সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Saturday, August 13, 2016

ম্যাংগো আইসক্রিম


উপকরণঃ
  • গুঁড়া দুধ - ২ কাপ
  • পানি - আড়াই কাপ
  • কর্নফ্লাওয়ার - ১ টেবিল চামচ
  • চিনি - পৌনে ১ কাপ
  • ক্রিম - ১ টিন
  • জেলাটিন গোলানো - ১ টেবিল চামচ
  • সিএমসি পাউডার গোলানো - ১ টেবিল চামচ
  • তরল গ্লুকোজ - ১ চা চামচ
  • ম্যাংগো পিউরি - ১ কাপ
  • ডিমের সাদা অংশ - ২টি 
  • চামচ চিনি - ২ টেবিল
যেভাবে বানাবেনঃ 
- প্রথমে গুঁড়া দুধ, পানি, কর্নফ্লাওয়ার ও চিনি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন।
- এবার মিশ্রণটি প্যানে ঢেলে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। 
- গরম অবস্থায় তরল গ্লুকোজ মেলাতে হবে।
- এবার ঠান্ডা হয়ে এলে জেলাটিন ও সিএমসি মেলাতে হবে। 
- ক্রিম ও ম্যাংগো পিউরি দিয়ে বিট করে ডিপে জমাতে হবে তিন ঘণ্টা। 
- এরপর আবারও বিট করে জমাতে হবে। 
- দুই ঘণ্টা পর পর বের করে ৩-৪ বার বিট করতে হবে। 
- শেষের বার ডিমের সাদা অংশ ও চিনি দিয়ে বিট করে মেরাং দিয়ে বিট করে জমাতে হবে। 
- এরপর জমে গেলে ইচ্ছামতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

পেস্তা কুলফি আইসক্রিম


উপকরণঃ
  • ঘন দুধ - ৩ কাপ
  • পাউডার দুধ - আধা কাপ
  • কন্ডেন্সড মিল্ক - আধা কাপ
  • হেভী ক্রিম বা ডানো ক্রিম - ১/৩ কাপ
  • চিনির সিরা - ১/৩ কাপ
  • পেস্তা বাদাম - ১/২ কাপ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার - ২ টেবিল চামচ
  • গোলাপজল - আধা চা চামচ
  • সবুজ ফুড কালার - ১/২ চা চামচ (ইচ্ছা)
  • পানি - হাফ কাপ
যেভাবে বানাবেনঃ 
-পেস্তা বাদাম গরম পানিতে ভিজিয়ে নরম হলে ছিলে কুচি করে রাখুন।
-পানিতে কর্ন ফ্লাওয়ার গুলে রাখুন।
-হাঁড়িতে দুধের সাথে সিরা,পাউডার দুধ,কন্ডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে জ্বাল দিন।বলক এলে কর্নফ্লাওয়ার ছাড়া বাকি সব উপাদান মিশিয়ে আরো ২ মিনিট জ্বাল দিন।
-এবার কর্ন ফ্লাওয়ার দিয়ে ১ মিনিট পর নামিয়ে নিন।
-হ্যান্ড বিটারের সাহায্যে বিট করে নিন কুলফিরর মিশ্রনটি ভালো মতো।
-এবার ছাঁচে ঢেকে সারা রাত ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।
-জমে গেলেই তৈরি পরিবেশনের জন্য।

টিপসঃ 
-কুলফিতে কাঠি দিতে চাইলে ডিপ ফ্রিজে রাখার ৪ ঘন্টা পর কুলফি কিছুটা জমে এলে তখন কাঠি দিতে হবে।
-একটা গ্লাসে কুসুম গরম পানি নিতে তাতে কুলফি র ছাঁচ রেখে আলতো করে টান দিলেই কাঠি সহ কুলফি বেরিয়ে আসবে।

চিকেন পপকর্ণ


উপকরণঃ
  • মুরগির বুকের মাংস - ছোট করে টুকরো করা
  • লবণ - ১/২ টেবিলচামচ 
  • গোল মরিচের গুড়া - ১/২ টেবিলচামচ 
  • সয়াসস - ১ টেবিলচামচ 
  • ডিম - ১টি 
  • কর্ণ স্টার্চ - ১ টেবিলচামচ 
  • ময়দা - ১ কাপ 
  • মরিচের গুঁড়ো - ১ টেবিলচামচ 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
> প্রথমে মুরগির মাংসগুলোতে লবণ, গোল মরিচের গুঁড়ো, সয়াসস, ডিম দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন।
> এরপর এতে কর্ণ স্টার্চ দিয়ে খুব ভাল করে মেশান।
> এবার আরেকটি পাত্রে ময়দা, লাল মরিচের গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
> এখন মুরগির টুকরোগুলো ময়দার মিশ্রণে গড়িয়ে নিন। সবগুলো মুরগির টুকরো ময়দায় গড়িয়ে নিন।
>এবার একটি পাত্রে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে আসলে ময়দায় গড়ানো মুরগির টুকরোগুলোকে তেলে ছেড়ে দিন।
> মচমচে হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।
> ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার চিকেন পপকর্ণ।
> সস দিয়ে পরিবেশন করুন মচমচে চিকেন পপকর্ণ।