Friday, September 9, 2016

বিফ মুঠো কাবাব


উপাদানঃ 
  • বিফ কিমা - ৪০০ গ্রাম
  • পেঁপেবাটা - ২ চা চামচ
  • ডিম - ১টি (ফেটানো)
  • গোলমরিচের গুঁড়া - আধা চা চামচ
  • লালমরিচ গুঁড়া - আধা চা চামচ
  • আদা ও রসুন বাটা - ২ চা চামচ
  • সয়াসস - ১ টেবিল চামচ
  • লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ
  • টমেটো সস - ২ টেবিল চামচ
  • বেরেস্তা - ১ মুঠো গুঁড়া
  • লবণ - স্বাদ মতো
কাবাব মসলাঃ
  • জিরা - ১ চা চামচ
  • ধনে -১ চা চামচ
  • দারুচিনি - ২ টুকরা 
  • এলাচ - ৪টি
  • লবঙ্গ - ৪/৫টি 
  • সব এক সঙ্গে টেলে মিহিগুঁড়া করে, কাবাব মসলা বানিয়ে ২ চা-চামচ কাবাবে দিতে হবে।
আরও লাগবেঃ 
  • সয়াবিন তেল - ৩/৪ টেবিল চামচ
  • সরিষার তেল - ১ টেবিল চামচ
  • কয়লা - এক টুকরা
  • মোটা কাঠের কাঠি - ৫/৬টি ( কাঠি পানিতে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন)
  • সরিষার তেল - ২ চা চামচ

সাজানোর জন্যঃ পেঁয়াজ ১টি চার ভাগ করা। কাঁচামরিচ ও লেবু। সব কাবাবের সঙ্গে প্যানে দিয়ে পুড়িয়ে নিতে হবে।

প্রস্তুত প্রণালীঃ 
কিমা ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একে একে কাবাবের সব উপকরণ দিয়ে, কিমা মাখিয়ে কমপক্ষে এক ঘণ্টা রেখে দিন। চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা রাখতে পারলে ভালো। এখন প্যানে তেল গরম করে নিন।

এবার মোটা একটা কাঠিতে সরিষার তেল লাগিয়ে এবং কিমা মুঠো করে চেপে চেপে আটকিয়ে নিন। আস্তে করে আকার ঠিক রেখে কাবাব বের করে নিন বা কাঠিসহ মাঝারি থেকে একটু বেশি আঁচে প্যানে দিয়ে গ্রিল করুন।

এক পিঠ হয়ে গেলে উল্টিয়ে দিন। দুপিঠ লাল হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে দিন। অন্য প্যানে সরিষার তেল গরম করে নিন।

একটি ফয়েল পেপারে গরম কয়লা (চুলায় গরম করে নিতে হবে) নিয়ে কাবাবের পাশে রাখুন এবং গরম সরিষার তেল কয়লার উপর ঢেলে দিন। সঙ্গে সঙ্গে ঢাকনা দিয়ে দিন যেন ধোয়াটা বের হয়ে না যায়। এভাবে পাঁচ মিনিট রাখুন।

তারপর শিক থেকে কাবাব বের করে পরিবেশন পাত্রে নিয়ে পুড়িয়ে নেওয়া পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ আর লেবু দিয়ে পরিবেশন করুন।

পেশোয়ারি কাবাব


উপাদানঃ
  • গরুর মাংসের কিমা - আধা কেজি
  • লবণ স্বাদ - মতো
  • গোলমরিচ গুঁড়া - আধা চা চামচ
  • মরিচগুঁড়া - ১ চা চামচ
  • ধনে ও জিরা টেলে গুঁড়া করে নেওয়া - ২ চা চামচ (বেশি মিহি না)
  • আনার দানা গুঁড়া -  ১ চা চামচ (ইচ্ছা)
  • বেসন - আধা কাপ
  • লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ
  • আদা ও রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
  • ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা কুচি - ২ টেবি চামচ করে
  • পেঁয়াজ মিহিকুচি - ২টি
  • টমেটো কুচি - ১টি
  • ডিম - ৩টি (অল্প লবণ দিয়ে ফেটে অল্প তেলে ওমলেট করে হাতে চটকে বা ঝুরি করে নিন) 
  • তেল - প্রয়োজন মতো 
প্রস্তুত প্রণালীঃ প্রথমে কিমার সঙ্গে সব বাটা, গুঁড়ামসলা, ডিমের ঝুরি, ধনে ও পুদিনা পাতা, টমেটো কুচি, কাঁচামরিচ, লেবুর রস ও পেঁয়াজকুচি দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন।

এরপর বেসন দিয়ে মাখিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট রেখে দিন। একটা একটা কাঠিতে মুঠো করে কাবাবের মিশ্রণ লাগিয়ে নিন।

প্যানে তেল গরম করে, মাঝারি আঁচে কাবাবের কাঠিগুলো বসিয়ে দুপিঠ লাল করে ভেজে পরিবেশন করুন।

শামি কাবাব


উপাদানঃ
  • গরুর মাংসের কিমা - ১ কেজি
  • দারুচিনি - ১ টি
  • বুটের ডাল - ১ কাপ (১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে)
  • আদাবাটা - ১ টেবিল-চামচ
  • রসুন - ৩/৪ কোয়া
  • লালমরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচ
  • গরম-মসলা - ১ চা চামচ
  • ধনে ও জিরা গুঁড়া -১ চা-চামচ করে।
  • লবণ - স্বাদ মতো
  • ১টি বড় পেঁয়াজ (বেরেস্তা করতে হবে)
  • এলাচ - ৩/৪ টি
  • ধনেপাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ
  • ডিম - ২ টি
  • কাঁচামরিচ - ২/৩ টি
  • তেল - প্রয়োজন মতো 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
প্রথমে কিমা ধুয়ে নিয়ে তাতে বুটের ডাল, সব গুঁড়ামসলা, লবণ, দারুচিনি, এলাচ, আদা ও রসুন, কাঁচামরিচ ও দুই কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি একদম শুকিয়ে গেলে নামিয়ে নিন। একটু ঠাণ্ডা হলে শিল পাটায় বেটে নিন অথবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন মিহি করে নিন।

এখন কিমা বাটার সঙ্গে, ফেটে নেওয়া ডিম, পেঁয়াজ বেরেস্তা ও ধনেপাতা-কুচি দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। ছোট বড় গোল্লা (কাবাবের আকার) করে ফ্রিজে রেখে সেট হতে দিন। বক্সে করেও রেখে দিতে পারেন। সারারাত রাখতে পারেন কিংবা কয়েক ঘণ্টা।

ফ্রিজ থেকে বের করার পাঁচ থেকে ১০ মিনিট পর, গরম তেলে মাঝারি আঁচে বাদামি করে ভেজে পরিবেশন করুন।

থাই বীফ সালাদ


উপাদানঃ
  • হাড় ছাড়া মাংস
  • লেমন গ্রাস বাটা
  • লেবুর রস
  • টেল
  • শশা
  • পেঁয়াজ
  • লেটুস পাতা
  • পুদিনা পাতা
  • পেঁয়াজ কলি
  • কাঁচা মরিচ কুচি
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- হাড় ছাড়া মাংসকে গোলমরিচ গুঁড়ো, অল্প লবণ, লেমন গ্রাস বাটা আর লেবুর রস দিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে পুরো ২৪ ঘণ্টা।
- যখন সালাদ পরিবেশন করবেন, তার আগে ফ্রিজে থেকে মাংস বের করে প্যানে খানিকটা তেল নিয়ে মাংসটা ভাজা ভাজা করে নিতে হবে।
- অন্য একটা পাত্রে শশা টুকরা করে কাটা, পেঁয়াজ কুচি, পেঁয়াজ কলি কুচি, লেটুস পাতা মিহি কুচি, পুদিনা পাতা মিহি কুচি, লেবুর রস, লেমন গ্রাস বাটা, লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিয়ে রাখতে হবে।
- ঝাল করতে চাইলে কাঁচা মরিচ কুচি দিতে পারেন। মাংসগুলো ভালোভাবে ঝলসানো হয়ে গেলে পাতলা করে কেটে ওই সালাদ এর সাথে ভাল করে মিশিয়ে নিন।

পরিবেশনঃ এই সালাদ পরিবেশন করতে পারেন মেইন ডিশ হিসাবেই।

কিমা পরোটা

উপাদানঃ
  • গরুর মাংসের মিহি কিমা – ২ কাপ
  • পেঁয়াজ (মিহি কুচি) – ২ টেবিল চামচ
  • কাঁচামরিচ (মিহি কুচি) – ৪টি
  • আদা বাটা – ১ চা চামচ
  • রসুন বাটা – ১ চা চামচ
  • জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
  • গরম মসলা গুঁড়া – ১ চা চামচ
  • গোলমরিচ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
  • ধনেপাতা কুচি – ১ টেবিল চামচ
  • লবণ – স্বাদমতো
  • তেল – ১ টেবিল চামচ
খামিরের জন্যঃ
  • ময়দা – ২ কাপ
  • লবণ – স্বাদমতো
  • ঘি – ২ টেবিল চামচ
  • ডিম – ১টি
  • দুধ – ২ টেবিল চামচ
  • তেল – ভাজার জন্য

প্রস্তুত প্রণালীঃ
-ময়দা চেলে নিয়ে খামিরের সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে মেখে ময়ান তৈরি করে ২০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে।
-ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ, আদা, রসুন ও কাঁচামরিচ দিয়ে অল্প ভাজতে হবে। এবারে একে একে কিমা,জিরা, গরম মসলা, গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিতে হবে।
-কিমার পানি শুকিয়ে গেলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে হালকা ভেজে নামাতে হবে।
-এবারে ময়ান ভালো করে মেখে রুটি বানাতে হবে। একটি করে রুটি নিয়ে তাতে রান্না করা কিমা ছড়িয়ে দিয়ে উপরে আরেকটি রুটি বসিয়ে কিনারা ভালো করে জোড়া দিতে হবে।
-ডিম ও দুধ এক সাথে মেশাতে হবে। পরোটা এর দুই পাশে ডিম ও দুধ এর মিশ্রণ মাখিয়ে ফ্রাইপ্যানে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
-ভাজা হলে প্রতিটি রুটি পছন্দ মত টুকরো করে কেটে সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

Sunday, August 28, 2016

কাচ্চি বিরিয়ানি


উপাদানঃ
  • খাসির মাংস - ২ কেজি
  • পোলাওয়ের চাল - ১ কেজি
  • আলু - আধা কেজি
  • ঘি - দেড় কাপ
  • পেঁয়াজ - কুচি আধা কাপ
  • আদা বাটা - ২ টে.চা.
  • রসুন বাটা - ২ চা. চা
  • দারচিনি গুঁড়া - আধা চা.
  • চা এলাচ গুঁড়া - ৬ টি
  • লবঙ্গ গুঁড়া - ৪ টি
  • জয়ফল গুঁড়া - ১ টি
  • জয়ত্রী গুঁড়া - ১\৮ চা চা
  • জিরা গুঁড়া - ১ টে চা
  • শুকনা মরিচ গুঁড়া - ৬ টি
  • দই  - ১ কাপ
  • হলুদ রং - সামান্য
  • গোলাপ জল - ২ টে চা
  • কেওড়া জল - ২ টে চা
  • আলু বোখারা - ৮\১০ টি
  • আটা - ১ কাপ 
  • লবন - পরিমাণ মতো
  • জ্বালানি কাঠ - ৫ কেজি
প্রস্তুত প্রণালীঃ
> মাংস ধুয়ে লবন মেখে ৩০ মিনিট রাখুন। মাংস আবার ধুয়ে পানি ঝরান।
> পেঁয়াজ ঘিয়ে বাদামি করে ভেজে তুলুন। ঠাণ্ডা হলে মোটা গুঁড়া করুন।
> আলুতে হালকা রঙ মিশিয়ে বাদামি করে ভেজে তুলুন।
> যে হাঁড়িতে বিরিয়ানি রান্না করবেন সে হাঁড়িতে মাংস নিন। আদা, রসুন , পেঁয়াজ , গুঁড়া মশলা মাংসের সাথে মেশান। দই ,গোলাপ জল ও কেওড়া জল দিয়ে ভাল ভাবে মেশান। মাংসের উপর আলু বিছিয়ে দিন। অল্প ঘি ও আলু বোখারা দিন।
> পোলাও এর চাল ধুয়ে পানি ঝরান। ১২ কাপ ফুটানো লবন পানিতে চাল ছাড়ুন। চাল ফুটে ওঠা মাত্রই পরিষ্কার পাত্রে পানি ঝরান।
> চালের ফুটানো পানি থেকে ১ কাপ পানিতে ৩\৪ কাপ ঘি মিশিয়ে মাংসে মেশান। মাংসের উপর চাল ছড়িয়ে দিন। উপরে সামান্য রং ছিটিয়ে দিন। ১ কাপ চালের ফুটানো পানি ও বাকি ঘি মিশিয়ে চালের উপর দিন,প্রয়োজন হলে আরও ফুটানো পানি এমন আন্দাজে দিন যাতে পানি চালের সমান হয়,চালের উপরে না উঠে। হাঁড়িতে ঢাকনা দিয়ে দিন।
> আটা পানি দিয়ে মাখিয়ে নিন। আটা দিয়ে হাঁড়ির মুখে ঢাকনা এঁটে দিন।
> কাচ্চি বিরিয়ানি গ্যাসের চুলায় রান্না করতে হলে চুলার উপর হাড়ি বসান। হাঁড়ির ঢাকনার উপরে ফুটানো পানিসহ একটি সস প্যান বসান ২০-২৫ মিনিট পর চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। আরও এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে বিরিয়ানির সুগন্ধ বের হলে নামিয়ে নিন।

পরিবেশনঃ কাচ্চি বিরিয়ানি সালাদ এবং বোরহানির সাথে পরিবেশন করুন, ৮ জন পরিবেশন করা যাবে।

টিপসঃ 
> বিরিয়ানি ওভেনে রান্না করতে হলে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এ তাপ দিন। গরম ওভেনে হাঁড়ি ৩ ঘণ্টা রেখে নামিয়ে নিন।
> কাঠ কয়লার আগুনে বিরিয়ানি রান্না করতে হলে কাঠে আগুন দেয়ার পর যখন ৩\৪ অংশ আগুনে পুড়ে যাবে বড় কাঠ-কয়লা হবে,সে কয়লার আগুনে হাঁড়ি বসিয়ে দিন। হাঁড়ির উপরে এবং চারপাশেও কাঠ-কয়লার আগুন দিয়ে দিন। হাঁড়ির তলায় প্রথমে ১৫ মিনিট কাঠ পোড়াতে হবে এবং পরে আরও আড়াই ঘণ্টা কাঠ কয়লার আগুনে দমে রাখতে হবে।

Wednesday, August 24, 2016

বীফ ফ্রাই উইথ ক্যাপসিকাম





উপাদানঃ
  • বীফ পাতলা স্লাইস - ১/২ কেজি
  • সয় সস - ২ টেবিল চামচ
  • ওয়েস্টার সস - ২ টেবিল চামচ
  • ফিশ সস - ১/২ চা চামচ
  • গোল মরিচ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ
  • টেস্টিং সল্ট - ১/২ চা চামচ
  • লবণ অল্প - স্বাদ মত
  • ক্যাপসিকাম কিউব করা - ২ টি
  • গাজর স্লাইস - ১/২ কাপ
  • পিঁয়াজ মোটা কুচি - ২ টি
  • আদা কুচি - ১ টেবিল চামচ
  • রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ
  • চিনি - ১/২ চা চামচ
  • তেল - পরিমাণ মত
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- একটা বাটিতে বীফ স্লাইস নিয়ে একে একে রসুন বাটা, সয়া সস, ওয়েস্টার সস, ফিস সস, লবণ, টেস্টিং সল্ট, গোল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ মাখিয়ে রেখে অল্প আছে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
- সেদ্ধ হবার পর বীফে কোন পানি থাকলে শুকিয়ে নিতে হবে।
- এবার ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে বীফ আর আদা কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে।
- এবার ক্যাপসিকাম, গাজর, পিঁয়াজ কুচি, চিনি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ ভেজে নামিয়ে ফেলতে হবে।

প্রন মাঞ্চুরিয়ান

উপাদানঃ
  • মাঝারি আকারের চিংড়ি (খোসা ছাড়িয়ে পরিষ্কার করা) - ২ কাপ 
  • কর্নফ্লাওয়ার - ৩ টেবিল চামচ 
  • ময়দা - ১ টেবিল চামচ 
  • আদা - ১ টেবিল চামচ
  • রসুনবাটা - ১ টেবিল চামচ 
  • লবণ - আধা চা চামচ 
  • মরিচগুঁড়া - ১ চা চামচ 
  • ডিমের সাদা অংশ - ১টি 
  • লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ 
  • তেল - ডুবো তেলে ভাজার জন্য 
সসের জন্যঃ 
  • টমেটো সস্ - ৫ টেবিল চামচ
  • সয়া সস্ - ৩ টেবিল চামচ 
  • মরিচগুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
  • লবণ - আধা চা চামচ  
  • আদা - ১ চা চামচ 
  • রসুনবাটা - ১ চা চামচ
  • কর্নফ্লাওয়ার - ২ চা চামচ 
  • পানি - আধা কাপ 
  • পেঁয়াজ ও রসুনকুচি (অর্ধেক পেঁয়াজ ও অর্ধেক রসুন) - আধা কাপ
  • তেল - ৪ টেবিল চামচ 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- প্রথমেই চিংড়ি সামান্য লবণ দিয়ে মাখিয়ে নিয়ে গরম কড়াইয়ে দুতিন মিনিট ভেজে নিন। কোনো তেল দেবেন না।
- চিংড়ি পানি ছাড়লে পানি থেকে চিংড়িগুলো ছেঁকে তুলে নিন।
- এবার চিংড়ির জন্য রাখা উপকরণগুলো দিয়ে মাখিয়ে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে তুলুন। চুলার তাপ বাড়িয়ে দিয়ে ভাজুন। তবে বেশিক্ষণ ভাজবেন না। নইলে চিংড়ি শক্ত হয়ে যাবে।
- এবার সস্ বানিয়ে নিন। একটি বাটিতে টমেটো সস্, সয়া সস্, মরিচগুঁড়া, আদা ও রসুন বাটা, লবণ, কর্নফ্লাওয়ার এবং আধা কাপ পানি মিশিয়ে নিন।
- এবার একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও রসুনকুচি এক মিনিট ভেজে সসের মিশ্রণ দিন। ভালো মতো মিশিয়ে দুই মিনিট রান্না করে চিংড়ি দিয়ে দিন।
- সস্ গাঢ় হয়ে আসলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

খাসির কোরমা




উপাদানঃ
  • খাসির মাংস - এক কেজি
  • লবঙ্গ - ৪/৫ টা বাটা
  • দারুচিনি - ৩/৪ টা
  • জয়ত্রী - এক চিমটি
  • জয়ফল - এক চিমটি
  • গোল মরিচ -  হাফ চামচের কম
  • বাদাম বাটা - এক টেবিল চামচ
  • টক দই - এক কাপ
  • রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ
  • আদা বাটা - দেড় টেবিল চামচ
  • জিরা -  এক চা চামচ
  • কেওড়া জল - হাফ টেবিল চামচ
  • কিসমিস -  ৬/৭ টা
  • কাঁচা মরিচ - ঝাল বুঝে কয়েকটা (৮/১০টা)
  • লবন - পরিমান মত
  • তেল - হাফ কাপ
  • পানি - পরিমান মত
  • পেঁয়াজ - বেরেস্তা
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- মাংস ভাল করে ধুয়ে একে একে সব মশলা পাতি দিয়ে যেতে থাকুন। 
- সহ সব কিছু দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। 
- এবার ফ্রীজে ঘন্টা খানেকের জন্য রেখে দিন। 
- যে পাত্রে রান্না করবেন সেই পাত্রে তেল গরম করে সামান্য লবন দিয়ে বেরেস্তা বানিয়ে তুলে রাখুন।
- বেরেস্তা তুলে নিয়ে সেই তেলেই ম্যারিনেটেড করে রাখা মাংস দিয়ে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।
- পাতিল ধুয়ে সামান্য পানিও দিয়ে দিন।
- এবার ঢাকনা দিন, মিনিট ১৫/২০ মাধ্যম আঁচে রান্না করুন এবং মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিন।
- মাংস সিদ্ধ হয়ে গেল কিনা দেখে বেরেস্তা গুড়া করে দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে নিন এবং লবন লাগলে দিন। ঝাল কম মনে হলে আরো কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন।

পরিবেশনঃ 
কাঁচা মরিচ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

Wednesday, August 17, 2016

মশলা পরিচিতি

রান্নার একটা গুরুত্বপূর্ন দিক হচ্ছে মশলা। মশলার কারণেই এক এক রান্না এক এক রকমের স্বাদ ও ঘ্রাণের হয়ে থাকে। কাজেই যারা রান্নায় বিশেষ পারদর্শীতা অর্জন করতে চাইবেন তাদের জন্য মশলা চেনা এবং তার সুষ্ঠু ব্যবহার করা একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক।

চায়না গ্রাস
চায়না গ্রাস রান্নার একটা উপকরণ যা স্বচ্ছ নুডলসের মতো দেখতে। চায়না গ্রাস সাধারণত হালুয়া,পুডিং,ফালুদা,আইস-ক্রিম ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয় তবে এখন দিন দিন এর ব্যবহার আরও বাড়ছে। এটি যেকোনো মুদি দোকান বা যেকোন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে কিনতে পাওয়া যায়।

অ্যারারুট
এটি খাবার মচমচা করতে ব্যাবহার করা হয় । খাবার ভাল মচমচা করতে চাইলে অ্যারারুট ময়দার মিশ্রনের সাথে মিক্স করে নিতে হয় এবং রুটি বেলার সময় ব্যাবহার করতে হয় । অ্যারারুট মুদি দোকানে খুচরা কেনা যায়। এছাড়া কিছু কিছু সুপার শপেও পাওয়া যায়। অনেকটা কর্নফ্লাওয়ার এর মতই দেখতে। এর পরিবর্তে কর্ন ফ্লাওয়ার ও ব্যাবহার করা যেতে পারে ।

তালমাখনা
তালমাখনা ছোট ছোট একধরনের বিজ। ফুসকাতে তালমাখনা ব্যাবহার করলে ফুসকা ভাল ফুলে এবং মচমচে হয়। এছাড়া তাল মাখনা শরীর ঠাণ্ডা করার জন্য শরবত হিসেবে খাওয়া হয়। বিভিন্ন মেডিসিন তৈরিতেও তাল মাখান ব্যাবহার হয়।

তালমাখনা সাধারণত মুদিদোকান গুলোতে পাওয়া যায় । সুপার শপে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

কর্নস্টার্চ ভুট্টা থেকে তৈরি ধবধবে সাদা পিচ্ছিল ময়দা। চাইনিজ এবং পশ্চিমা রান্নায়, স্যুপ ও কাস্টার্ড তৈরিতে এগুলো ব্যবহার করা হয়। এসবের পরিবর্তে অবশ্য ময়দা কিংবা অ্যারারুটও ব্যবহার করা যায়।

বেকিং সোডা
সোডিয়াম বাই কার্বনেট (খাবার সোডা) রান্না করার সময় কোনো কিছু তাড়াতাড়ি সিদ্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া কোনো কোনো খাদ্যসমগ্রী ফোলানো কিংবা ফাঁপানোর জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়।

বেকিং পাউডার

বেকিং পাউডার এর মধ্যে সোডিয়াম কার্বনেট সহ অ্যাসিড জাতীয় এজেন্ট থাকে যার কাজ অনেকটা বেকিং সোডার মতই। কিন্তু বেকিং পাউডার, বেকিং সোডার তিন গুন ব্যবহার করতে হয়; কারণ কক্ষ তাপমাত্রায় ইহা কার্বন-ডাই-অক্সিইড ত্যাগ করা শুরু করে এবং সাধ তীক্ষ্ণ করে।

সাইট্রিক এসিড
লেবুর রসের পরিবর্তে কেক, পেস্ট্রি, পুডিং এসেবের জন্য প্রয়োজন হয়। লেবুর রসের পরিবর্তে ছানা তৈরিতেও এর ব্যবহার চলে।

মেরাং

ডিমের সাদা অংশ দ্রুত ও জোরে ফেটিয়ে নিলে অথবা জমাট বাঁধালে তা মেরাংয়ে পরিণত হয়। মেরাং আলু, পুডিং, কেকের আইসিং, মেকারনি ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যায়।

ক্যারামেল
খাদ্যের কোনো কিছুর ওপর রঙ করার জন্য পানি ছাড়া চিনি অল্প গুলে সিরা করা।

ইস্ট
এক ধরনের সূক্ষ্ম ছত্রাক দ্বারা গঠিত হলুদ ফেনাময় বস্তু। যা স্টার্চ কিংবা শর্করা জাতীয় বস্তুর উপস্থিতিতে বংশ বৃদ্ধি করে বহুগুণে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে। পাউরুটি এবং বিভিন্নরকম রুটি, বিস্কুট, কেক ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার হয় এগুলোকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তোলার জন্য।

টেস্টিং সল্ট

এই লবণ দেখতে চিনির মতো। বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়াতে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। সচরাচর স্বাভাবিক লবণের মোট পরিমাণের অর্ধেক অংশ এই লবণের সাহায্যেই পূরণ করা যায়।

খোওয়া

খোওয়াকে আমরা মাওয়া বলে জানি। দুধ ঘন করে শুকানোর আগে অনবরত নেড়েচেড়ে শুকিয়ে কিছুটা নরম থাকতে নামিয়ে ঠান্ডা করে খোওয়া বা মাওয়াতে পরিণত হয়। বিভিন্নরকম মিষ্টির উপরে ছিটিয়ে দিয়ে মিষ্টিকে আকর্ষণীয় করার জন্য মাওয়া বা খোওয়ার ব্যবহার হয়।

ক্রাম্ব
এটি শুকনো পাউরুটি কিংবা টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া। চপ, কাটলেট তৈরিতে এর ব্যবহার হয়।

কাবাব নুন
কচি পেঁপের কষ দিয়ে শুকিয়ে রাখা নুন। এক কাপ নুনের সঙ্গে ১.৫ থেকে ২ চা চামচ পেঁপের কষ মিশিয়ে এটি তৈরি করা হয়। শিক কাবাব বা মাংস বেশি সিদ্ধ করার জন্য কাবাব নুনের দরকার হয়।

সিরকা বা ভিনেগার
খাদ্য সংরক্ষণে সিরকা অপরিহার্য। যে কোনো মিষ্টি রস থেকে সিরকা বানানো সহজ। আখের রস, জামের রস, অথবা যে কোনো ফলের রস থেকে সিরকা তৈরি করা যায়। মাংস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ ও মুখরোচক করতেও সিরকার ব্যবহার হয়।

ওয়েস্টার সস
এই সসের স্বাদ টক। ওয়েস্টার সসের পরিবর্তে তেঁতুল পানি দেয়া যায়। এই সস বিফ স্টেক, হ্যামবার্গার স্টেক, ম্যান্ডারিণ ফিশ এসব রান্নায় ব্যবহার হয়।

সয়া সস

সয়া সস সয়াবিন হতে তৈরি। চাইনিজ রান্নায় এর ব্যবহার হয় বেশি।

এসেন্স
এসেন্স খাবারে সুগন্ধ আনে। ভেনিলা এসেন্স ছাড়াও লেমন, পাইন অ্যাপেল, অরেঞ্জ, বেনান, স্ত্রবেরী ইত্যাদি এসেন্স আইসক্রিম, পুডিং, কাস্টার্ড, কেক, বিস্কুট, পেস্ট্রি, জ্যাম, জেলী, মার্মালেড এবং স্কোয়াসে দেয়া হয়।

চিকেন স্ট্রিপ

উপকরণঃ
  • মুরগির বুকের মাংশ - ২০০ গ্রাম
  • আদা রসুন বাটা - ২ চা চামচ
  • হট সস - ২ টেবিল চামচ
  • সয়া সস - ১ টেবিল চামচ
  • গোল মরিচ গুড়া - ২ চা চামচ
  • জিরা গুড়া - ১ চা চামচ
  • লবন - ১ টেবিল চামচ
  • লাল মরিচ গুড়া - ১ টেবিল চামচ
  • ময়দা - ২ কাপ
  • লবন - আধা চা চামচ
  • ভাজার জন্য তেল - পরিমান মত
প্রস্তুত প্রণালী
> প্রথমে মুরগি গুলো পাতলা লম্বা করে কেটে নিন।
১ টি বাটিতে একে একে সব মশলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন , এরপর মুরগির স্লাইস গুলো দিয়ে মেরিনেট করুন । ২ ঘন্টা ফ্রীজে রেখে দিন ।
> অন্য ১ টি বাটিতে ময়দা, লবন দিয়ে নেড়ে নিন।
> আরেকটি পাত্রে ফ্রেশ পানি নিন।
> এবার মুরগির টুকরা শুকনো ময়দায় গড়িয়ে নিন, তারপর ফ্রেশ পানিতে রেখে আবার শুকনো ময়দায় ভালো করে গড়িয়ে নিয়ে গরম ডুবো তেলে ভাজতে থাকুন এবং বাদামী রং হয়ে এলে উঠিয়ে নিন।
> যেকোনো সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Saturday, August 13, 2016

ম্যাংগো আইসক্রিম


উপকরণঃ
  • গুঁড়া দুধ - ২ কাপ
  • পানি - আড়াই কাপ
  • কর্নফ্লাওয়ার - ১ টেবিল চামচ
  • চিনি - পৌনে ১ কাপ
  • ক্রিম - ১ টিন
  • জেলাটিন গোলানো - ১ টেবিল চামচ
  • সিএমসি পাউডার গোলানো - ১ টেবিল চামচ
  • তরল গ্লুকোজ - ১ চা চামচ
  • ম্যাংগো পিউরি - ১ কাপ
  • ডিমের সাদা অংশ - ২টি 
  • চামচ চিনি - ২ টেবিল
যেভাবে বানাবেনঃ 
- প্রথমে গুঁড়া দুধ, পানি, কর্নফ্লাওয়ার ও চিনি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন।
- এবার মিশ্রণটি প্যানে ঢেলে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। 
- গরম অবস্থায় তরল গ্লুকোজ মেলাতে হবে।
- এবার ঠান্ডা হয়ে এলে জেলাটিন ও সিএমসি মেলাতে হবে। 
- ক্রিম ও ম্যাংগো পিউরি দিয়ে বিট করে ডিপে জমাতে হবে তিন ঘণ্টা। 
- এরপর আবারও বিট করে জমাতে হবে। 
- দুই ঘণ্টা পর পর বের করে ৩-৪ বার বিট করতে হবে। 
- শেষের বার ডিমের সাদা অংশ ও চিনি দিয়ে বিট করে মেরাং দিয়ে বিট করে জমাতে হবে। 
- এরপর জমে গেলে ইচ্ছামতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

পেস্তা কুলফি আইসক্রিম


উপকরণঃ
  • ঘন দুধ - ৩ কাপ
  • পাউডার দুধ - আধা কাপ
  • কন্ডেন্সড মিল্ক - আধা কাপ
  • হেভী ক্রিম বা ডানো ক্রিম - ১/৩ কাপ
  • চিনির সিরা - ১/৩ কাপ
  • পেস্তা বাদাম - ১/২ কাপ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার - ২ টেবিল চামচ
  • গোলাপজল - আধা চা চামচ
  • সবুজ ফুড কালার - ১/২ চা চামচ (ইচ্ছা)
  • পানি - হাফ কাপ
যেভাবে বানাবেনঃ 
-পেস্তা বাদাম গরম পানিতে ভিজিয়ে নরম হলে ছিলে কুচি করে রাখুন।
-পানিতে কর্ন ফ্লাওয়ার গুলে রাখুন।
-হাঁড়িতে দুধের সাথে সিরা,পাউডার দুধ,কন্ডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে জ্বাল দিন।বলক এলে কর্নফ্লাওয়ার ছাড়া বাকি সব উপাদান মিশিয়ে আরো ২ মিনিট জ্বাল দিন।
-এবার কর্ন ফ্লাওয়ার দিয়ে ১ মিনিট পর নামিয়ে নিন।
-হ্যান্ড বিটারের সাহায্যে বিট করে নিন কুলফিরর মিশ্রনটি ভালো মতো।
-এবার ছাঁচে ঢেকে সারা রাত ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।
-জমে গেলেই তৈরি পরিবেশনের জন্য।

টিপসঃ 
-কুলফিতে কাঠি দিতে চাইলে ডিপ ফ্রিজে রাখার ৪ ঘন্টা পর কুলফি কিছুটা জমে এলে তখন কাঠি দিতে হবে।
-একটা গ্লাসে কুসুম গরম পানি নিতে তাতে কুলফি র ছাঁচ রেখে আলতো করে টান দিলেই কাঠি সহ কুলফি বেরিয়ে আসবে।

চিকেন পপকর্ণ


উপকরণঃ
  • মুরগির বুকের মাংস - ছোট করে টুকরো করা
  • লবণ - ১/২ টেবিলচামচ 
  • গোল মরিচের গুড়া - ১/২ টেবিলচামচ 
  • সয়াসস - ১ টেবিলচামচ 
  • ডিম - ১টি 
  • কর্ণ স্টার্চ - ১ টেবিলচামচ 
  • ময়দা - ১ কাপ 
  • মরিচের গুঁড়ো - ১ টেবিলচামচ 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
> প্রথমে মুরগির মাংসগুলোতে লবণ, গোল মরিচের গুঁড়ো, সয়াসস, ডিম দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন।
> এরপর এতে কর্ণ স্টার্চ দিয়ে খুব ভাল করে মেশান।
> এবার আরেকটি পাত্রে ময়দা, লাল মরিচের গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
> এখন মুরগির টুকরোগুলো ময়দার মিশ্রণে গড়িয়ে নিন। সবগুলো মুরগির টুকরো ময়দায় গড়িয়ে নিন।
>এবার একটি পাত্রে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে আসলে ময়দায় গড়ানো মুরগির টুকরোগুলোকে তেলে ছেড়ে দিন।
> মচমচে হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।
> ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার চিকেন পপকর্ণ।
> সস দিয়ে পরিবেশন করুন মচমচে চিকেন পপকর্ণ।


Saturday, July 9, 2016

মাটন মোঘলাই বিরিয়ানি


উপকরনঃ
  • খাসির মাংস (মাটন) - ১ কেজি
  • বাসমতি - চাল ৪-৫ কাপ  
  • আদা বাটা - দেড় টেবিল চামচ 
  • রসুন বাটা - দেড় টেবিল চামচ
  • এলাচ গুড়া - ১ চা চামচ
  • জয়ফল জয়ত্রী - গুড়া ১/২ চা চামচ 
  • টক দই - ২ কাপ 
  • পিয়াজ বেরেস্তা - দেড় কাপ 
  • কাজু বাদাম বাটা - ২/৩ টেবিল চামচ
  • ঘি ও তেল মিলিয়ে - ১ কাপ বা পরিমান মত 
  • আস্ত এলাচ - ৭/৮ টি 
  • দারচিনি  - ৪/৫ টি
  • গোলমরিচ - ৮/১০ টি
  • সাদা জিরা - ১ চা চামচ
  • তেজপাতা - ২/৩ টি
  • পুদিনা পাতা - ১ কাপ
  • উষ্ণ তরল - দুধ ১/২ কাপ
  • জাফরান রং - সামান্য 
  • লবন - স্বাদ মত
  • মরিচ গুড়া - ১ টেবিল চামচ
  • কেওড়া জল - ২/৩ টেবিল চামচ
  • মাওয়া - ১/২ কাপ 
  • আস্ত কাচামরিচ - ১৫/২০ টি
  • লেবুর রস - ৩/৪ টেবিল চামচ 
  • রোষ্টেড কাজু বাদাম - পরিবেশনের জন্য
প্রস্তুত প্রণালীঃ
খাসির মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে আদা বাটা ,রসুন বাটা,মরিচ গুড়া, এলাচ গুড়া, জয়ফল জয়ত্রী গুড়া, লবন ও এক টেবিল চামচ কেওড়া জল দিয়ে ৫/৬ ঘন্টা বা সারা রাত নরমাল ফ্রিজে মারিনেট করতে হবে।

চাল ধুয়ে ২০-৩০ মি: পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার অন্য পাত্রে পোলাও এর চালের দেড় গুন বা পরিমান মত পানি নিয়ে চুলাতে বসিয়ে দিতে হবে। বলক আসলে আস্ত জিরা, ১০/১২ টি পুদিনা পাতা, অর্ধেক গরম মশলা,তেজপাতা,পরিমান মত লবন, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কেওড়া জল দিয়ে আগে থেকে ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে ঝরঝরা ভাত রান্না করে নিতে হবে।
এবার পানে ঘি ও তেল গরম করে অর্ধেক টা আস্ত গরম মশলা ও ১ কাপ পিয়াজ বেরেস্তা দিয়ে মারিনেট করা মাংস দিয়ে ভালো করে কষিয়ে প্রয়োজন মত পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করে নিতে হবে.রান্না শেষে বাদাম বাটা, পুদিনা পাতা ও আস্ত কাচা মরিচ দিয়ে কিছুক্ষন রান্না করে নামিয়ে নিতে হবে।

এবার রান্না করা ভাতের অর্ধেক টা তুলে রেখে রান্না করা মাংস বাকি অর্ধেক ভাতের ওপর ঢেলে দিয়ে পিয়াজ বেরেস্তা ও মাওয়া দিয়ে বাকি তুলে রাখা ভাত মাংসের ওপর দিয়ে দিতে হবে। আধা কাপ উষ্ণ গরম দুধে জাফরান রং গুলিয়ে ভাতের ছড়িয়ে দিয়ে মৃদু আচে ২০-৩০ মি: এর জন্য দমে দিতে হবে। দম শেষে বিরিয়ানি টা হালকা নেড়ে কাজু বাদাম ওপর থেকে ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

Sunday, July 3, 2016

হোয়াইট এবং রেড সস পাস্তা


উপাদানঃ 
  • পাস্তা - ১০০ গ্রাম
  • দুধ - ১ কাপ 
  • টমেটো কিউরি - ১ কাপ 
  • লাল শুকনো মরিচ গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
  • রসুনের পেষ্ট - ১ টেবিল চামচ 
  • পেঁয়াজ কুচি - ১টি ছোট 
  • ক্যাপসিকাম কুচি - ১টি 
  • টমেটো সস - ১.৫ টেবিল চামচ 
  • ধন্দুল কুচি - ১টি 
  • চিজ বা পনির - ২ টেবিল চামচ 
  • অরিগোনা - ১/২ টেবিল চামচ 
  • ধনে পাতা কুচি - ১ চা চামচ 
  • লবণ - স্বাদমত
  • মাখন - ১ টেবিল চামচ 
  • ময়দা - ১ চা চামচ 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
-প্রথমে একটি প্যানে মাখন দিয়ে দিন। মাখন গলে গেলে এতে ময়দা দিন।

-ময়দা, মাখন ভাল করে মিশে গেলে এতে দুধ দিয়ে দিন। দুধ, মাখন, ময়দা ভাল করে নাড়তে থাকুন যতক্ষন না এটি ঘন না হয়।

-ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

-আরেকটি প্যানে মাখন দিন। এর সাথে পেঁয়াজ কুচি, রসুনের পেষ্ট দিয়ে নাড়ুন।

-এরপর এতে ক্যাপসিকাম কুচি, ধন্দুল কুচি ( যেকোন সবজি ব্যবহার করতে পারেন ) দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। যদি মাংস দিতে চান, মাংসও দিয়ে দিতে পারেন।

-এবার টমেটোর পেস্ট দিয়ে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন।

-এরপর একে একে টমেটো কেচাপ, ড্রাই অরিগেনো, শুকনো লাল মরিচের গুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন।

-এটি প্যানে লেগে গেলে এতে পানি দিয়ে নাড়ুন।

-এবার এতে হোয়াইট সস দিয়ে নাড়ুন।

-তারপর এতে চিজ এবং লবণ দিয়ে দিন।

-সিদ্ধ করা পাস্তা দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নাড়ুন।

-ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার হোয়াইট এবং রেড সস পাস্তা।

পোলাও/বিরিয়ানি/খিচুড়ি গলে গেছে? জেনে নিন ঝরঝরে করার ৪টি দারুণ কৌশল

রাঁধতে গিয়ে পোলাও, বিরিয়ানি বা খিচুড়ি কখনো গলে যায় নি এমন রাঁধুনি বুঝি খুঁজলেও মিলবে না। পানি বেশি হওয়া, চাল বেশি নতুন হওয়া ইত্যাদি নানান কারণে গলে যেতে পারে আপনার শখ করে রান্না করা পোলাও, বিরিয়ানি বা খিচুড়ি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কী করবেন পানি পানি ভাব কমিয়ে একটু ঝরঝরে করে তুলতে? আছে কিছু দারুণ উপায়, জেনে নিন।

*যদি পানি দেয়ার পর পরই বুঝতে পারেন যে পানি বেশি হয়ে গেছে ও এতে বিরিয়ানি বা খিচুরিটা গলে যাবে, তাহলে সাথে সাথে আলু কেটে এর মাঝে দিয়ে দিন। আলু সিদ্ধ হতে বাড়তি পানি প্রয়োজন। বেশি দিয়ে ফেলা পানিটা আলু টেনে নিয়ে সিদ্ধ হবে। আর আপনার খাবারেও পানি অনুপাত ঠিক হয়ে আসবে।

*পোলাও, খিচুড়ি বা বিরিয়ানিতে গলে যাওয়া ভাব? পাতিলের মুখে একটি নরম তোয়ালে চাপা দিন। তার ওপরে ঢাকনা আটকে দম দিন। পানি বাষ্প হয়ে উড়বে এবং তোয়ালে সেটা টেনে নেবে। বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। আধা ঘণ্টা দম দিন, অনেকটাই ঝরঝরে হয়ে আসবে।

*আরেকটা কাজ করতে পারেন। একটি পাতলা সুতির কাপড়ের ওপরে খাবারটি ঢেলে নিন ও ছড়িয়ে দিন। ফ্যানের বাতাসের নিচে কিছুটা সময় মেলে রাখুন। দেখবেন বাড়তি পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। এরপর পাতিলে গরম না করে ছড়ানো কড়াইতে গরম করে নিন।

 *চুলায় থাকা অবস্থাতেই যদি দেখেন যে গলে যাচ্ছে বা গেছে, তাহলে সাথে সাথে পাত্রের মুখের ঢাকনা খুলে দিন। বাড়তি পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যেতে দিন ও ঢাকনা খোলা অবস্থাতেই দম দিন। গলে যাওয়া ভাব কমে ঝরঝরে হয়ে আসবে।

*কাপ পোলাও চালের জন্য দেড় কাপ পানি, এই হিসাবে পানি দিলে কখনো পোলাও, বিরিয়ানি, খিচুড়ি গলে যাবে না। চাপ ও পানি এক কাপেই পরিমাপ করবেন। এবং ফুটন্ত গরম পানি ব্যবহার করবেন।

Saturday, July 2, 2016

চিকেন ফ্রাই

উপাদানঃ
  • মুরগীর টুকরা - ৮/১০ 
  • ময়দা - ১ কাপ 
  • লবণ - ১ টেবিল চামচ 
  • ডিম - ২
  • লাল মরিচ গুড়া - ১/৪ চা চামচ 
  • গোলমরিচ গুড়া - ১/২ চা চামচ 
  • পটেটো ফ্লাওয়ার - আধা কাপ 
  • পানি - ১/৪ কাপ 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
-মুরগী ফ্রিজ থেকে বের করেনা রুমের তাপমাত্রায় আনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে ববে।
-ময়দার সাথে লবণ, গোলমরিচ ও লাল মরিচ গুড়া, পটেটো ফ্লাওয়ার মেশাতে হবে।
-ডিম ভালো করেনা ফেটে নিয়ে এতে পানি মেশাতে হবে।
-মুরগীর টুকরা গুলো প্রথমে ডিমে ডুবিয়ে এরপর ময়দার মিশ্রণে গড়িয়ে নিতে হবে। এরপর আবার  ডিমে ডুবিয়ে ময়দার মিশ্রণে গড়িয়ে নিতে হবে।
-এবার মুরগীর টুকরা গুলো মিডিয়াম আচে ডুবো তেলে ভাজতে ববে। ৭-১৫ মিনিট পর রঙ সোনালী-বাদামি বলে উঠিয়ে গরম পরিবেশন করতে হবে।

টিপসঃ
পটেটো ফ্লাওয়ার সুপার শপ গুলোতে পাবেন। খোঁজার ঝামেলা নিতে চাইলে নিজেও বানিয়ে নিতে পারবেন। আলু সিদ্ধ করেনা ভর্তা করেনা সমান প্লেটে ছড়িয়ে দিয়ে ১০-১২ ঘন্টা শুকিয়ে নিতে ববে। এরপর শুকনো আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ব্যববার করতে হবে।

Thursday, June 30, 2016

রান্না বিষয়ক প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

রান্না করার সময় টুকটাক টিপস জানা থাকলে রান্না ভালো হয় এবং সময়ও বাঁচে। জেনে নিন রান্না বিষয়ক প্রয়োজনীয় কিছু টিপস।

* সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।

* কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।

* খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।

* চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।

* সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।

* ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।

* কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।

* অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।

* আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।

* ভাত, পোলাও, বিরিয়ানি বা চাল জাতীয় যে কোন খাবার পুড়ে গেলে তেতো হয়ে যায় না। কিন্তু হ্যাঁ, বিচ্ছিরি পোড়া গন্ধ হয়ে যায়। এটা দূর করতে কী করবেন? আছে একটা জাদুকরী উপায়। প্রথমেই যে হাঁড়িতে পোড়া লেগেছে, সেখান থেকে খাবারকে সরিয়ে নিন। অন্য একটি হাঁড়িতে রাখুন খাবার এবং তাঁর ওপরে রাধুক এক টুকরো পাউরুটি। এরপর দম দিন কিছুক্ষণ। ব্যাস, আপনার খাবারের পোড়া গন্ধ শুষে নেবে পাউরুটি। কেউ বুঝতেই পারবেন না যে খাবারে পোড়া লেগেছে ।

* মাংস ভুনা পুড়ে গেছে? পুড়ে গিয়ে একেবারে তলায় লেগে গেছে? সাথে সাথে গ্যাস বন্ধ করে দিন। তারপর মাংসগুলোকে আলতো করে তুলে নিন হাঁড়ির নিচে লেগে থাকা খাবার বাদ দিয়ে। খাবারে তেতো ভাব আছে আর পোড়া গন্ধও। এবার কী করবেন? মাংসকে হাত দিয়ে ভেঙে নিন। তারপর সমপরিমাণ পেঁয়াজ যোগ করে ভালো করে মেখে নিন। এবার প্যানে অল্প তেল দিয়ে ভাজা ভাজা করে নিন এই মিশ্রণকে। ইচ্ছা হলে লবণ, নানান রকমের সস ও মশলা আপনার যা যোগ করতে ইচ্ছা হয় করুন। তৈরি সুস্বাদু দোপেয়াজা ।

* মাংস বা মাছ কষাতে গিয়ে পুড়ে গিয়েছিল, এখন ঝোলের মাঝেও পোড়া গন্ধ? কিংবা স্যুপ বা অন্য কোন তরল খাবার রাঁধতে গিয়ে পোড়া গন্ধ ও তেতো ভাব হয়েছে? কয়েক টুকরো মিষ্টি কুমড়া কেটে দিয়ে দিন ঝোলে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ফুটান। সেদ্ধ হয়ে গেলে জ্বাল নিভিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। কুমড়াগুলো উঠিয়ে পরিবেশন করুন। পোড়া গন্ধ বা স্বাদের লেশমাত্র থাকবে না।

* যে কোন খাবারের পোড়া ভাব দূর করতে দই, দুধ, চিনি এগুলো অসাধারণ। বিশেষ করে গ্রেভি জাতীয় খাবারে। খাবার পোড়া লাগলে প্রথমেই সরিয়ে নিন উক্ত পাত্র থেকে। অন্য পাত্রে গ্রেভি জাতীয় খাবারটি রাখুন, তারপর এতে যোগ করুন ফেটানো টক দই বা দুধ, সাথে চিনি দিতে ভুলবেন না। এবার রান্না করুন আবার। খাবার হয়ে উঠবে সুস্বাদু।

* পোড়া ভাব দূর করতে টমেটো সসও ম্যাজিকের কত কাজ দেয়। এমনকি পোড়া ভাজিকে ঠিক করতেও। যে কোন ঝাল খাবারে কেবল যোগ করুন স্বাদ অনুযায়ী টমেটো সস। দেখবেন পোড়া ভাবটার অস্তিত্ব মাত্র থাকবে না।

* কাবাব বা ভাজাভুজি জাতীয় কোন খাবার পুড়ে গেছে। এটার সাথে পরিবেশন করুন টক দইয়ের রায়তা ও প্রচুর সস। পোড়া স্বাদটা কেউ টের পাবেন না।

ফালুদা


উপাদানঃ
  • সাবু দানা - আধা কাপ
  • ঘন দুধ - ১ গ্লাস
  • কনডেন্স মিল্ক - আধা কাপ
  • চিনি - পরিমাণমতো
  • সেদ্ধ করা নুডুলস - ১ কাপ
  • পেস্তা বাদাম কুঁচি - ১ টেবিল চামচ
  • কাজু বাদাম - ১ টেবিল চামচ
  • স্ট্রবেরি, আম ও কলা কুচি করে কাটা - ২ টেবিল চামচ
  • আপেল ও আঙুর কুঁচি ১ টেবিল চামচ
  • আইস ক্রিম - পরিমাণ মতো
  • বরফ কুঁচি - পরিমাণ মতো
  • জেলি - অল্প পরিমাণ
  • রুহ আফজা - পরিমাণ মতো
যেভাবে বানাবেনঃ
> পানি দিয়ে সাবু দানা সেদ্ধ করে নিন। 
> ঘন দুধ, কনডেন্স মিল্ক ও চিনি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঘন করে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। 
> একটি সার্ভিস বাটি বা গ্লাসে পর্যায়ক্রমে প্রথমে সেদ্ধ সাবু দানা ও নুডুলস এর পর ঘন দুধ দিন। 
> এবার দুই ফ্লেভারের আইস ক্রিম, বাদাম কুঁচি, আবার ঘন দুধ, নুডুলস, ফলের টুকরো, মাওয়া কুচি 
> সবশেষে ঘন দুধ, জেলো, রুহ-আফজা ও বরফ কুচি দিয়ে ইচ্ছামত সাজিয়ে পরিবেশন করুন। 

Tuesday, June 28, 2016

তিব্বতি থুপকা



উপাদানঃ

স্যুপের জন্য
  • তেল – ১ টেবিল চামচ
  • রসুন কুচি – ১ টেবিল চামচ
  • লঙ্কাকুচি – স্বাদমতো
  • পেঁয়াজ কুচি – ১ টা ছোট
  • টমেটো কুচি – ১ টা ছোট
  • বাঁধাকপি কুচি – ১ কাপ
  • নুন – স্বাদমতো
  • লাল লঙ্কা গুঁড়ো – স্বাদমতো
  • গরম মশলা – ১ চা চামচ
  • পানি – ৩ কাপ
  • ভেজিটেবল স্টক – ২ বাটি
  • গাজর, বিনস, কড়াইশুঁটি – আধ বাটি
নুডলসের জন্য
  • নুডলস – ১৫০ গ্রাম
  • পানি – ৩ কাপ
  • তেল – ১ চা চামচ
  • নুন – ১/২ চা চামচ
  • অমলেটের জন্য ডিম – ২টি
  • তেল – ১ চা চামচ
  • নুন – স্বাদমতো
  • ধনেপাচা কুচি – ২ টেবিল চামচ
প্রস্তুত প্রণালীঃ
একটি প্রেসার কুকারে তেল গরম করুন। এতে রসুন কুচি এবং কাঁচা লঙ্কা কুচি দিয়ে ৩০ সেকেন্ড রান্না করুন। এতে পেঁয়াজ দিয়ে ভাজতে থাকুন, যতক্ষণ না পেঁয়াজের কাঁচা ভাব দূর হচ্ছে। এতে টমেটো ও বাঁধাকপি দিয়ে দিন। ভাল করে নাড়াচাড়া করতে থাকুন।

সবজিগুলো নরম হয়ে এলে এতে নুন, লাল লঙ্কা গুঁড়ো, গরম মশলা দিয়ে ৩০ সেকেন্ড নাড়াচাড়া করুন। এতে ভেজিটেবল স্টক দিয়ে দিন। এতে সবজিগুলো দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে ২ টি হুইশল দিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ধনেপাতা ছড়িয়ে দিন।

এদিকে নুন দিয়ে নুডলস সিদ্ধ করে নিন। একটি প্যানে অমলেট বানিয়ে নিন। অমলেট হয়ে গেলে ভাল করে রোল করে নিয়ে ধারালো ছুড়ির সাহায্যে পাতলা স্ট্রিপ কেটে নিন। একটি বাটিতে অর্ধেক বাটি নুডলস দিন। এর উপর স্যুপ ঢেলে দিন। যাতে বাটিটি ভর্তি হয়ে যায়। উপরে ডিমের স্ট্রিপগুলি সাজিয়ে দিন।

পরিবেশনঃ ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

টিপসঃ চাইলে আপনি মুরগির মাংসের ছোট ছোট বোনলেস টুকরো এতে দিতে পারেন।

Saturday, June 25, 2016

চিকেন অনিয়ন


উপাদানঃ

  • মুরগির বুকের মাংস - ১ কাপ
  • স্প্রিং অনিয়ন কুচি - ১/৩ কাপ
  • গোলমরিচের গুঁড়া - আধা চা-চামচ
  • মিক্সড লবণ - স্বাদমত
  • সয়াসস- ২ টেবিল চামচ
  • চিনি - ১/২ চা চামচ
  • কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ
  • পেঁয়াজ টুকরো - ১ কাপ
  • কাচা মরিচ ফালি - ৫টি
  • ভিনেগার - ২ টেবিল চামচ
  • টমেটো টুকরো - ১/২ কাপ
  • আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
  • রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ
  • শুকনা মরিচ কুচি - ১/২ চা চামচ
  • সয়াবিন তেল - ৪ টেবিল চামচ
  • লবণ - স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রণালীঃ
- মুরগীর মাংস সয়াসস, লবণ, আদা বাটা, ভিনেগার দিয়ে মেখে রাখুন আধঘণ্টা। 
- এরপর মাংসটা ছেকে তুলে নিন। 
- এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ ভেজে তুলে রাখুন। 
- রসুন ও চিকেন দিয়ে দুই মিনিট ভাজুন।
- অন্যান্য উপকরণগুলো দিয়ে আরো ৫-৭ মিনিট রান্না করুন। 
- পেঁয়াজ এবং মাংস মেখে রাখা সসটুকু দিন এবং কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ পানিতে গুলে দিন। 
- ফুটে উঠলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

Friday, June 24, 2016

মেজবানি গরুর মাংস



উপাদানঃ
  • গরুর মাংস ২ কেজি
  • পেঁয়াজ কুচি - ২ কাপ   
  • পেঁয়াজ বাটা - ১ কাপ
  • সয়াবিন + সরিষার তেল - ১/২ কাপ
  • আদা বাটা - আড়াই টেবিল চামচ 
  • রসুন বাটা - দেড় টেবিল চামচ 
  • শাহি জিরা - ১ চা চামচ 
  • ধনিয়া গুঁড়া - ১ চা চামচ 
  • হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ 
  • ঝাল বিহীন স্পেশাল শুকনা মরিচ গুঁড়া (কাশ্মিরি শুকনা মরিচ গুঁড়া) - ৩/৪ টেবিল চামচ (এটায় ঝাল কম ও কালার টা অনেক সুন্দর হয়। চট্টগ্রামে ব্যবহার করা হয় মিষ্টি মরিচ গুঁড়া)।
  • কাঁচা মরিচ - ৮-১০ টা
  • চিনি - ১ টেবিল চামচ 
  • তেজ পাতা - ৩/৪ টা 
  • ভাজা আলু - ৪/৫ টা (আপনি খেতে চাইলে দিতে পারেন)
মেজবানি মাংস স্পেশাল মশলা:
  • এলাচ - ২-৩ টা 
  • দারচিনি - ২ টুকরা 
  • লবঙ্গ - ৪-৫ টা 
  • জায়ফল - ১/৮ পরিমাণ 
  • জয়ত্রি - ১/২ চা চামচ 
  • গোলমরিচ - ৫/৬ টা
  • পোস্তদানা - ১/২ চা চামচ 
সব একসাথে পানি দিয়ে বেটে পেস্ট করে নিতে হবে।

প্রস্তুত প্রণালীঃ
-পেঁয়াজ কুচি, চিনি ও তেজপাতা ছাড়া বাকি সব উপকরণ মাংসের সাথে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রাখতে হবে।
-একটা পাত্রে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও তেজ পাতা দিয়ে হালকা লাল হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে।
-ভাজা হয়ে গেলে এবার মাখান মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে। ৪-৫ মিনিট।
-এবার বেশি করে পানি দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। ১ ঘণ্টার মতো।

পরিবেশনঃ রান্না হয়ে গেলে নামানর আগে ভাজা আলু দিয়ে দিন।

টিপসঃ
-সব মশলা ভালো করে পেস্ট করতে হবে।
-মাংস ভালো করে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে।
-মাংসের পিস ছোট ছোট হতে হবে।
-সবচেয়ে জরুরি রান্নার পাত্রের ঢাকনা অবধাকনা ভাল করে সিল করে নিতে হবে। ও অল্প জ্বালে রান্না হবে।

Thursday, June 23, 2016

ম্যাঙ্গো প্যানা কোটা


  • উপাদানঃ 
  • আমের রস - ১ কাপ 
  • জেলাটিন পাউডার - ১ প্যাকেট বা ১/৪ আউন্স 
  • আমের পিউরি - ১.৫ কাপ 
  • দুধ - ১ কাপ 
  • জেলাটিন পাউডার - ১ প্যাকেট বা ১/৪ আউন্স 
  • চিনি - ১/৩ কাপ 
  • লবণ - এক চিমটি 
  • ভ্যানিলা এসেন্স - ১ টেবিল চামচ 
  • ক্রিম - ২ কাপ 
যেভাবে বানাবেনঃ
- প্রথমে একটি পাত্রে আমের রস এবং জেলাটিন দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে ১০ মিনিট রাখুন।

- এবার ব্লেন্ডারে আমের কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে আমের পিউরি তৈরি করে নিন।

- আমের রস এবং জেলাটিনের মিশ্রণটি মাইক্রোওয়েভে উচ্চ তাপে এক মিনিট গরম করুন। জেলাটিন ভাল করে মিশে গেলে এটি আমের পিউরির সাথে মিশিয়ে নিন।

- পিউরির মিশ্রণটি গ্লাসে ঢেলে নিন (ভিডিও অনুযায়ী)। এটি ফ্রিজে ঠান্ডা হওয়ার জন্য কমপক্ষে ২ ঘন্টা রাখুন।

- একটি প্যানে দুধ এবং জেলাটিন দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। ১০ মিনিট ভাল করে নাড়ুন।

- ১০ মিনিট পর এতে চিনি এবং লবণ দিন।

- চিনি, জেলাটিন না গলা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। নামানোর আগে ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে দিন।

- ক্রিমের সাথে দুধের মিশ্রণটি ঢালুন। মিশ্রণটি ভাল করে মিশিয়ে নিন।

- এরপর ফ্রিজ থেকে আমের গ্লাসগুলো বের করে এতে ক্রিমের মিশ্রণটি ঢেলে দিন।

- এবার এটি ফ্রিজে ৪ ঘণ্টা রাখুন।

-পরিবেশন করুন ঠান্ডা ঠান্ডা ম্যাঙ্গো প্যানা কোটা।

Wednesday, June 22, 2016

তরমুজের জুস


উপাদানঃ 

  • তরমুজ - ২০০ গ্রাম
  • আদা - ৫ গ্রাম
  • লেবুর - রস সামান্য
  • লবণ - স্বাদ অনুযায়ী
  • চিনি - স্বাদমতো
  • পানি - ১০০ মিলি

যেভাবে বানাবেনঃ 
প্রথমে তরমুজ কেটে খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। এবার সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। হয়ে গেল তরমুজের মজাদার জুস । এবার বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

Monday, June 20, 2016

ফিস চপ


উপাদানঃ
  • যেকোনো মাছ (ভেটকি, রুই বা ইলিশ) পাঁচছয়টি বড় টুকরা
  • আলু মাঝারি - ৩টি
  • একটি বড় পাউরুটির টুকরা
  • পেঁয়াজ মিহিকুচি - আধা কাপ
  • আদাবাটা - ১ চা চামচ
  • রসুনবাটা - ১ চা চামচ
  • কাঁচামরিচ - কুচি ১ টেবিল-চামচ
  • মরিচগুঁড়া - ১ চা চামচ
  • হলুদগুঁড়া - ১ চা চামচ
  • ধনিয়াগুঁড়া - ১ চা চামচ
  • ভাজা জিরাগুঁড়া - আধা চা চামচ
  • লবণ স্বাদমতো
  • তেল ভাজার জন্য
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- মাছের টুকরাগুলো ভাপে সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিতে হবে। সেদ্ধআলু ভালোভাবে চটকে নিন। এবার পাউরুটি পানিতে ভিজিয়ে সঙ্গে সঙ্গে তুলে নিতে হবে। তারপর মাছ, আলু, রুটি খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে। একে একে তেল বাদে সব উপকরণ খুব ভালো করে মিশিয়ে হাতে পছন্দ মতো আকার দিন। এবার গরম তেলে চপগুলো ছেড়ে দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজতে হবে। হালকা বাদামী রঙ আসলে নামিয়ে নিলেই হল। 

পরিবেশনঃ
ইফতার, সাদাভাত, পোলাও বা বিরিয়ানির সঙ্গে খেতে মাছের চপের জুড়ি নেই।

Sunday, June 19, 2016

ঝটপট তেহারি


উপাদানঃ
  • বীফ/মাটন – হাফ কেজি (মাংস বোনলেস হলে ভালো)
  • চিনি গুঁড়া চাল – হাফ কেজি
  • টক দই – ১ কাপ
  • পেঁয়াজ কুচি – ১ কাপ
  • কাঁচা মরিচ – ১০টি
  • সয়াবিন তেল – ১ কাপ
  • সরিষার তেল – হাফ কাপ
  • রসুনবাটা – ১ চা চামচ
  • শাহি জিরা – ১ চা চামচ
  • আদাবাটা – ১ টেবিল চামচ
  • গোলমরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ
  • কেওড়া জল – ২ টেবিল চামচ
  • গুড়া দুধ – ২ টেবিল চামচ
  • পেঁয়াজ বেরেস্তা – হাফ কাপ
  • কিসমিস পরিমাণ মত 
  • গরম মশলা – এলাচ, তেজপাতা, দারুচিনি পরিমাণ মত 
  • লবণ – স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রণালীঃ
-মাংস ছোট টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে টক দই, সরিষার তেল, আদা, রসুন, ও লবণ দিয়ে কমপক্ষে ৩০ মিনিট মাখিয়ে রাখুন।

-পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে নিন।

-এবার পাত্রে মাংস, কাঁচা মরিচ ও ৩ কাপ পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে মাংস রান্না করুন।

-মাংস সেদ্ধ হয়ে ঝোল মাখামাখা হয়ে গেলে গোলমারিচ গুঁড়া দিয়ে নেড়ে নামিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।

-চাল ১০ মিনিট ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।

-হাঁড়িতে চালের দেড় গুণ পানিতে গুড়া দুধ মিশিয়ে নিন।

-এবার চালে পানিটি দিয়ে লবন, তেজপাতা, এলাচ ও দারুচিনি দিয়ে নেড়ে নিন। এরপরে ঢেকে দিন।

-পানি শুকিয়ে চালের সমান হয়ে গেলে রান্না মাংসগুলো চালের ওপরে দিয়ে অল্প আঁচে দমে রাখুন।

-১০ মিনিট পর পোলাও ও মাংস ভালোভাবে মিশিয়ে কেওড়াজল ও শাহি জিরা ওপরে ছিটিয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

পরিবেশনঃ
এবার পাত্রে ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করুন সালাদ অথবা সেদ্ধ ডিমের সাথে।

Saturday, June 18, 2016

গার্লিক শ্রিম্প




উপাদানঃ 

  • চিংড়ি মাছ - ১/২ কেজি 
  • অলিভ অয়েল - ১/২ কাপ 
  • রসুন কুচি - ১/২ কাপ 
  • লাল শুকনো মরিচ গুঁড়ো - ১ চা চামচ 
  • পাপরিকা - ২ চা চামচ 
  • লবণ - স্বাদমত
  • লেবুর রস - ৩-৫ টেবিল চামচ 
  • ধনেপাতা কুচি - ১/২ কাপ 
প্রস্তুত প্রণালীঃ
- চিংড়ি মাছে খোসা ছড়িয়ে পরিষ্কার করে মাথা ফেলে দিন।

- মাঝারি আঁচে প্যানে অলিভ অয়েল গরম করতে দিন।

- তেল গরম হয়ে আসলে এতে লাল শুকনো মরিচ গুঁড়ো, রসুন কুচি দিয়ে এক মিনিট ভাজুন।

- তারপর এতে চিংড়ি মাছগুলো দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজুন।

- এটি ৩ মিনিট রান্না করুন। খুব বেশি সময় ধরে রান্না করা থেকে বিরত থাকুন। বেশি সময় রান্না করলে চিংড়ি শক্ত রাবারের মত হয়ে যাবে।

- এর সাথে পাপরিকা, লবণ এবং গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিন।

- মাছ সিদ্ধ হয়ে আসলে এতে লেবুর রস , পার্সলি পাতা কুচি দিয় দিন।

- সবগুলো উপাদান ভাল করে নেড়ে নামিয়ে ফেলুন।

পরিবেশনঃ
ভাত অথবা পোলাও এর সাথে পরিবেশন করুন মজাদার গার্লিক শ্রিম্প।

টিপসঃ 
রসুনের পরিমাণটি আপনি নিজের স্বাদমতো আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন।

Saturday, June 11, 2016

ব্যাম্বো চিকেন


উপাদানঃ
  • হাঁড় ছাড়া মুরগীর মাংস – ৫০০ গ্রাম
  • গরম মশলা – ১ টেবিল চামচ
  • লেবুর রস – ১ টা লেবু
  • ধনে গুঁড়া – ৩ টেবিল চামচ
  • মরিচের গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ
  • আদা-রসুন বাটা – ১ টেবিল চামচ
  • লবন – স্বাদমতো
  • হলুদ গুঁড়া – আধা (১/২) টেবিল চামচ
  • ধনে পাতা কুচি
  • কাঁচা মরিচ – ১ টা
  • অলিভ ওয়েল – ১ টেবিল চামচ
  • কাঁচা বাঁশের চোঙা – ১ গিরা, এক পাশ খোলা (২০ সে.মি. প্রায়)
  • কলা পাতা

প্রস্তুত প্রণালীঃ
- মুরগীর মাংসের টুকরাগুলো একটা পাত্রে নিন। এর উপর হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া এবং লবন ছড়িয়ে দিন। ধনে গুঁড়া, গরম মশলা, আদা-রসুন বাটা এবং লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। ১ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল দিন। মাংসের সাথে ভাল করে মাখান। ২০ মিনিট ঢেকে রেখে মেরিনেট করুন।

- এবার বাঁশের চোঙাতে মেরিনেট করা মাংসের টুকরাগুলো ভরে নিন। বাঁশটা ঝাকি দিন, মাংসের টুকরাগুলো চেপে বসবে, বাঁশের ভেতরে ফাঁকা থাকবে না। মাংসের টুকরা দিয়ে বাঁশটা ভরে গেলে, কলা পাতা মুড়ে বাঁশের মুখটা আটকে দিন। আরেকটা টুকরা কলা পাতা পেঁচিয়ে তার দিয়ে বেঁধে দিন বাঁশের খোলা মুখটা।

- মাংস ভর্তি বাঁশটি কয়লার আগুনে পুড়ে নিন। লাকড়ি জ্বালিয়ে তাতেও পুড়ে নিতে পারেন। ৩০ মিনিট (বা তার বেশি সময়) ধরে আগুনে পুড়তে হবে। এর মধ্যে ১৫ মিনিট বেশি আগুনে আর ১৫ মিনিট কম আগুনে। বাঁশটা উলটে-পালটে দিবেন যাতে সবদিক ভালভাবে রান্না হয়। বাঁশের বাহিরের দিক যখন পুড়ে কাল হয়ে যাবে বুঝতে হবে বাঁশের ভেতরের মাংস রান্না হয়ে গিয়েছে।

- আগুন থেকে বাঁশটা তুলে তার উপর পানি ঢেলে দিন, এতে ছাই ছড়াবে না। বাঁশের চোঙার মুখ থেকে কলা পাতা সরিয়ে ভেতরের মুরগীর মাংস বের করে নিন।

পরিবেশনঃ

বাটিতে বা কলাপাতায় ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। ভাল লাগলে কিউব করে কাটা পেঁয়াজের সাথেও পরিবেশন করা যেতে পারে।

Friday, June 10, 2016

চিকেন মোমো




উপকরণঃ
  • চিকেন কিমা - ১কাপ
  • ময়দা - ১কাপ
  • আদা বাটা - ১/৪ চা চামচ
  • রসুন বাটা - ১/৪ চা চামচ
  • গোল মরিচ গুঁড়ো - ১/৪ চা চামচ
  •  সয়া সস - ১ চা চামচ
  • পিঁয়াজ বাটা - ১/২ চা চামচ
  • পানি - ১/৪ কাপ
  • তেল -১  টেবিল চামচ
  • লবন - স্বাদ মতো

প্রস্তুত প্রণালীঃ 
-প্রথমে ময়দা তেল আর লবন দিয়ে ভালো করে মাখতে হবে, ময়ান যত ভাল হবে মোমো তত নরম হবে।

-এই বার প্যানে তেল দিয়ে একটু গরম করে তাতে কিমা আর বাকি সব কিছু একে একে দিয়ে একটু নেড়ে নামাতে হবে। কিমাটা একটা বাটিতে ঢেলে ঠাণ্ডা করুন।

-এইবার ময়দা মাখাটা দিয়ে লুচির মতো ছোট ছোট লেচি কেটে বেলতে হবে আর তার ভিতর একটু করে কিমার পুর দিয়ে মুখ বন্ধ করে নিন।

-এইবার চুলাতে স্টিমারে পানি দিয়ে ফুটতে দিতে হবে , পানি ফুটে উটলে তাতে মোমোগুলা সাজিয়ে ঢাকনা দিয়ে ১০/১২ মিনিট ভাপ দিন।
-ভাপ হয়ে গেলে প্লেটে সাজিয়ে গরম গরম সস বা চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার চিকেন মোমো।

Thursday, June 9, 2016

সাতকড়া দিয়ে মুরগীর রেজালা


উপকরণঃ
  • মুরগির মাংস - ১ কেজি পরিমাণ এর ১ টি ( মাঝারি সাইজ করে কাটা )
  • সাতকড়া - ২ চাক একদম মিহি করে কাটা 
  • পেঁয়াজ কুচি - ২ কাপ
  • পেঁয়াজ বাটা - ২ টেবিল চামচ
  • রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
  • আদা বাটা - ২ টেবিল চামচ
  • হলুদ মরিচ ধনিয়া গুঁড়ো মিলে - ১ চা চামচ
  • টক দই - ২ টেবিল চামচ
  • কাজু বাদাম বাটা - ২ টেবিল চামচ
  • পোস্ত বাটা - ১ চা চামচ
  • গরম মশলা গুঁড়ো - ২ চা চামচ
  • জিরা বাটা - ১ চা চামচ
  • টমেটো কেচাপ - ১ টেবিল চামচ
  • তেজপাতা লবঙ্গ দারচিনি কয়েক টুকরা
  • নারিকেল দুধ - ১ কাপ
  • লবণ স্বাদমত
  • তেল হাফ কাপ
  • কাঁচা মরিচ কয়েকটা
  • বেরেস্তা পরিবেশনের জন্য


প্রস্তুত প্রণালিঃ
-প্রথমে হাঁড়িতে তেল দিয়ে তেল গরম হলে এতে তেজপাতা, লবঙ্গ, দারচিনি দিন। এবার পেঁয়াজ কুচি যোগ করুন।

-পেঁয়াজ টা বেশ লাল করে ভাজা হলে একে একে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, হলুদ মরিচ ধনিয়া গুঁড়ো, টক দই ,কাজু বাদাম বাটা, পোস্ত বাটা , গরম মশলা গুঁড়া ,জিরা বাটা দিয়ে অল্প পানি দিয়ে মশলা কষিয়ে নিন।

-তাড়াহুড়া করবেন না, মশলা সময় নিয়ে কষাতে হবে।

-এবার মুরগির মাংস দিয়ে নাড়াচাড়া করে কষিয়ে নিন আরো ২০ মিনিট।

-এখন সাতকড়া একদম মিহি করে কষানো মাংস-তে দিন,এবার মাংসতে টমেটো কেচাপ, নারকেল দুধ আর উপরে আস্ত কাঁচামরিচ দিয়ে নাড়াচাড়া করে কম আঁচে রান্না করুন আরো ১৫ মিনিট।

-১৫ মিনিট রান্না করার পর মাংসটা নরম হয়ে সুন্দর কষানো হবে। তেল উপরে
উঠে আসলেই বুঝবেন হয়ে গেছে । সুন্দর একটা লেবুর গন্ধ পাবেন মাংস থেকে। 


টিপসঃ আপনারা চাইলে আলু দিয়ে রান্না করতে পারেন।


পরিবেশনঃ
পরিবেশনের সময় উপরে বেরেস্তা ছিটিয়ে দিন। পোলাও, নান, পরোটা অথবা ভাতের সাথে খেয়ে দেখুন অনেক মজা।

Wednesday, June 8, 2016

সহজ চিকেন বিরিয়ানি










উপকরনঃ 
  • বাসমতী চাল ৭০০ গ্রাম (বাড়ির ভাতের চালেও করা যাবে )
  • মুরগির মাংস দেড় কেজি
  • পেঁয়াজ কুচি ৪ টি বড় মতো
  • পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ ( পেঁয়াজ কুচি করে দুধে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।তেল খুব গরম হলে পেঁয়াজ কুচিগুলি তুলে নিয়ে ভাজুন।এতে পেঁয়াজে তাড়াতাড়ি বাদামি রঙ ধরবে এবং পেঁয়াজ কুচিগুলিও মুচমুচে হবে )
  • রসুন 8 কোয়া
  • কাঁচালঙ্কা ঝাল অনুযায়ী
  • আদাবাটা ২ টেবিল চামচ
  • গোটা আলু কয়েকটি মানানসই আকারের
  • টক দই ৪ টেবিল চামচ
  • গোটা মশলা আন্দাজ মতো ( যেমনঃ লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ, জায়ফল, জয়িত্রী, ধনে ) 
  • দুধে ভেজানো অল্প জাফরান অথবা কামধেনু রঙ 
  • কেওড়া জল আন্দাজ মতো
  • দেশী ঘি ২ টেবিল চামচ
প্রস্তুত প্রণালীঃ 
● প্রথমে গোটা মশলা গুলো মিক্সিতে পিষে নিন।

● এবার কাঁচালঙ্কা, পেঁয়াজ, রসুন ও আদা মিক্সিতে পেষ্ট করে রাখুন।

● টকদই এ গুড়ো মশলাগুলো দিয়ে ফেটিয়ে রাখুন। 

● এবার মাংসের মধ্যে সব বাটা মশলা এবং গুঁড়ো মশলা মেশানো টক দই ও নুন-চিনি দিয়ে মেরিনেট করুন। জল দিতে হবেনা। বেশি সময় ধরে মেরিনেট করলে মাংস নরম হয়। ফ্রিজেও রাখতে পারেন বেশ কিছু সময়।

● এবার মেরিনেট করা মাংস ও গোটা আলু প্রেসার কুকারে দিয়ে ২/৩ টি সিটি দিন।খেয়াল রাখবেন রান্নার সময় আঁচ হালকা করে নিতে হবে।

বিরিয়ানি এর জন্য যা যা করতে হবেঃ
চাল অন্তত এক ঘণ্টা মতো জলে ভিজিয়ে রাখুন।

এবার একটিপাত্রে জল দিয়ে ফুটতে দিন।তাতে জল ঝরিয়ে চালগুলো দিয়ে দিন। সাথে তেজপাতা ও নুন দিন। জলের পরিমাণ চাল অনুযায়ী দিতে হবে ।

বিরিয়ানি একটু শক্ত থাকতে নামিয়ে নিন। মশারির নেটে ঢেলে দিয়ে ঝরঝরে করে নিন।এবার দুধে ভেজানো জাফরান দিয়ে অথবা অতি সামান্য কামধেনু রঙ দিয়ে সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন।

এবার সাজানোর অর্থাৎ লেয়ার বানানোর পর্যায়ঃ
একটি পাত্রে প্রথমে আন্দাজ মতো ভাত দিন। তারপর রান্না করা মুরগির মাংসের কয়েকটি টুকরো, আলু এরপর পেঁয়াজ ভাজা অর্থাৎ বেরেস্তা ছড়িয়ে দিন।পুনরায় একইভাবে লেয়ার বানান।সবশেষে কেওড়ার জল ছড়িয়ে দিন। এবার ২ টেবিল চামচ দেশী ঘি ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন।

এইবার উনানে একটা তাওয়া রেখে কিংবা একটি ফুটন্ত জলের পাত্রের উপর বিরিয়ানির পাত্রটি বসিয়ে রাখুন।

বিরিয়ানির পাত্রের ঢাকনা ভালভাবে বন্ধ করতে হবে।দরকার হলে মাখা ময়দার প্রলেপ দিয়ে ফাঁক বন্ধ করলে ভাল হয়।

২০ মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন।

পরিবেশনঃ গরম গরম পরিবেশন করুন।

Monday, June 6, 2016

জালি কাবাব






     উপকরনঃ 
  • গরুর মাংস - ১ কাপ (ছোট টুকরা )
  • ছোলার ডাল - ১ মুঠ
  • মসুরির ডাল - ১ মুঠের কম
  • আলু - ১ টি ( ছোট )
  • কাচামরিচ কুঁচি - স্বাদ অনুযায়ী
  • মিহি করে পেয়াজ কুঁচি - ১/২ কাপ
  • লবন - পরিমান মতো
  • আদা + রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ
  • জিরা + ধনিয়া বাটা - ১ চাচামচ
  • টমেটো সস - ১ টেবিল চামচ
  • হলুদ - সামান্য
  • গরম মশলা + এলাচ বাটা - ১ চাচামচ
  • ডিম - ১টি


প্রস্তুত প্রনালিঃ 
প্রেশার কুকারে আদা, রসুন, জিরা, ধনিয়া, এলাচ, গরম মশলা অর্ধেক ও হলুদ, লবন, মাংস, ডাল , আলু দিয়ে অল্প পরিমানে পানি দিন ।

সিদ্ধ হলে পানি শুখিয়ে শুকনা করে নিন । পানি পানি যেন না থাকে ।

পাটায় অথবা বেলেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিন ।

এবার এর সাথে কাচামরিচ , পেয়াজ , লবন লাগলে লবন ও বাকি মশলা দিয়ে মেখে নিন ।
১০-১২ টি কাবাব হবে বড় সাইজের ।

এবার ডিমের কুসুম সহ ৩-৪ ফোটা পানি দিয়ে কাটাচামচ দিয়ে ভাল করে ফেটে নিন ।

ডিমে ভাল করে দুই পিঠডুবিয়ে ডুবো তেলে বাদামি কালার করে ভেজে তুলুন ।

ডিম ভাল করে কাবাবের গায়ে লাগাবেন । যত বেশি লেগে থাকবে তত নেট নেট হবে ।


টিপসঃ
চপে বাড়তি কোন ময়দা অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার দিবেন না । দিলে কাবাবের আসল স্বাদই নষ্ট হয়ে যাবে ।

পরিবেশনঃ
পোলাও,পরোটার অথবা সালাদের সাথে পরিবেশন করুন দারুন মজাদার এই কাবাব ।